ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট | ইউটিউব এডসেন্স খোলার নিয়ম

ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট হলো গুগলের হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট। যার মাধ্যেমে আপনি গুগলের পণ্য ইউটিউব এবং ব্লগারে একসাথে একই একাউন্ট ব্যবহার করে আর্নিং করতে পারবেন। যখন কেউ কাস্টম ডোমেন হোস্টিং কিনে এডসেন্স একাউন্ট এর জন্য আবেদন করে তখন সে গুগল থেকে নান-হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট পেয়ে থাকে। আর গুগলের কোন ওয়েবসাইটে (যেমন ইউটিউব ব্লগারে) কাজ করে এডসেন্স একাউন্টের জন্য আবেদন করলে হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট পাওয়া যায়।

যার রেভিনিউ শেয়ার 55% এবং নন-হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট হলে 68% রেভিনিউ শেয়ার গুগল আপনাকে দিয়ে থাকে আর বাকিটা তার নিজের জন্য রাখে। এটায় হলো গুগলের এডসেন্স পেমেন্ট সিস্টেম তবে 100 ডলোরের নিচে গুগল আপনার ব্যাংক একাউন্টে কোন টাকা পেমেন্ট করবেনা। ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট কি ইউটিউব এডসেন্স খোলার নিয়ম সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট :

সাধারণত ইউটিউব এর জন্য যে এডসেন্স একাউন্ট করা হয় তাকে হোস্টেড বা ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট বলা হয়। ইউটিউবে কাজ শুরু করলে ইউটিউব আপনাকে আর্নিং করার সুযোগ করে দেয় এডসেন্স এর মাধ্যমে। এজন্য সাধারণত ইউটিউরে ‍কিছু শর্ত রয়েছে, যার মাধ্যমে কাজ করলে আপনি নিজেও ইউটিউব এডসেন্স থেকে আর্নিং করতে পারবেন।

এজন্য আপনাকে একটা ইউটিউব চ্যানেল করে শেখানে আপনার যে নলেজ আছে সেই বিষয় নিয়ে ভিডিও তৈরী করে পাবলিশ করতে হবে। (যেমন-Technology, Education, Reviews) এভাবে যখন আপনার ইউটিউবের ভিডিও 4,000 ঘন্টা মানুষ দেখবে এবং 1,000 জন্য আপনার চ্যানেলের সদস্যতা নিবে তখন আপনি ইউটিউব চ্যানেলে এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

ইউটিউব চ্যানেল করে এডসেন্স থেকে আর্নিং করতে হলে আপনাকে একটি ভেরিফাইড ইউটিউব চ্যানেল করতে হবে। যা গুগলের শর্তের মধ্যে পড়ে, এটা তেমন কোন জটিল কাজ নয়, আপনার মোবাইল নম্বর দিয়ে ভেরিফাই করা মাত্র। ভেরিফাইড চ্যানেল খোলার উদ্দেশ্য এডসেন্স একাউন্ট এজন্য সহজেই আবেদন করা যায় এবং চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবার অপশন পাওয়া যায়। এজন্য আপনাকে ইউটিউবের সকল নিয়ম এবং শর্ত মেনে ভিডিও পাবলিশ করতে হবে।

ইউটিউব এডসেন্স খোলার নিয়ম :

আপনি তখনি ইউটিউব এডসেন্স খোলার আবেদন করতে পারবেন যখন আপনার চ্যানেলে 1,000 হাজার জন সদস্য সবস্ক্রাইব করবে এবং আপনার ভিডিও ওয়াচ টাইম 4,000 হাজার ঘন্টা পার হবে। এজন্য আপনার কোন সময় নির্দিষ্ট করা নেই তাদের দেওয়া টার্গেট পূরণ হলে নিচের দেওয়া ভিডিওটি দেখে সঠিক ভাবে আবেদন করে ফেলুন তারপর মনিটাইজেশনের জন্য অপেক্ষা করুন। এডস শো হতে কারো বেশি সময় লাগে আবার কারে কম সময় লাগে। এতে কোন টেনশনের কারণ নেই গুগল তার ইচ্ছা মত কাজ করে।

ভিডিও দেখে এডসেন্স আবেদন করুন

ইউটিউব চ্যানেল খোলার করা নিয়ম :

ইউটিউবে চ্যানেল করতে কি কি লাগে তা আগে জেনেনি কারণ চ্যানেলের সাথে এডসেন্স এর সম্পর্ক রয়েছে। চ্যানেল করতে আপনার প্রথমে দুইটিা জিনিস লাগবে যথা- ১ম হলো একটা 18 বছর বয়সের উপরে ব্যক্তির জিমেইল একাউন্ট এবং ২য় টা হলো নিজের মোবাইল নম্বার। আঠারো বছরের উপরে বলার কারণ- অনেকেই ইমেইল একাউন্ট করার সময় বয়সের কম বেশি করে থাকে তখন সে ভূলে যায় তার জিমেইলে কত বছর বয়স দেওয়া আছে ফলে তার এডসেন্স এপ্রুভ হয় না। এজন্য আপনাকে বিভিন্ন সমস্যাতে পড়তে হতে পারে। দরকার হলে অভিভাবকের নামে একাউন্ট করতে পারেন। এডসেন্স আবেদন করার পর যদি তারা আপনার কোথাও আঠারোর নিচে বয়স পাই তাহলে এডসেন্স এপ্রুভ করবে না।

একটা জিমেইল একাউন্ট :

গুগলে সব ওয়েবসাইট বা গুগলকে ব্যবহার করতে হলে আপনাকে একটা জিমেইল একাউন্ট করতে হবে যাকে গুগল একাউন্ট বলা হয়ে থাকে। জিমেইল একাউন্ট করার নিয়ম জানতে এখানে ক্লিক করুন।

নিজের মোবাইল নম্বার :

অনলাইনে কাজ করতে হলে বর্তমানে সব জায়গাতে মোবাইল ভ্যারিফাইড করতে হয় ইউটিউবও তার বাইরে নয়।একটা মোবাইল দিয়ে 2টা ইউটিউব চ্যানেলে ভ্যারিফাই করা যায়। তবে একটা মোবাইল দিয়ে একটা চ্যানেল ভারিফাই করাটাই ভালো। যেন পরবর্তীতে কোন সমস্যায় পড়তে না হয়। চ্যানেল খোলার জন্য প্রথমে ইউটিউবে জিমেইল আইডি দিয়ে লগইন করুন। তার আগে আপনার চ্যানেলের একটা লগো এবং একটা ব্যানার তৈরী করে নিন। তারপর আপনার চ্যানেলের নাম দিয়ে বাকি কাজ শুরু করুন। সুন্দর ভাবে চ্যানেল তৈরী করতে নিচের ভিডিও টি দেখুন।

ভিডিও দেখে ইউটিউব চ্যানেল করুন

এডসেন্স পাওয়ার সহজ উপায়:

কিভাবে আপনার ব্লগ এবং ওয়েবসাইটে গুগল এডসেন্স সহজে পেতে পারেন, ওয়েবসাইটে গুগল এডসেন্স একাউন্ট পওয়ার সহজ উপায় বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

এডসেন্স ডিজেবল হওয়ার কারণ :

অনেক সময় দেখা যার আমাদের অজানা কিছু ভূলের কারণে এডসেন্স সাপসপেন্ড হয়ে যায়। আপনার গুগল এডসেন্স ডিজেবল হওয়ার কারণ জানতে এবং নিরাপদ রাখার জন্য কি করতে হবে জানতে এখানে ক্লিক করুন

এডসেন্স নিয়ে আমার কয়েকটা পোস্ট আছে যদি আরো ভালো ভাবে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে সাইড বারে রিলেটেড পোস্ট গুলো দেখুন। ওয়েবসাইট এবং ইউটিউবের জন্য প্রায় প্রতিটা বিষয় একই। কোন বিষয়ে জানার থাকলে নিচে কমেন্ট করুন আর লিখাটি ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার করুন

Leave a Reply

error: Content is protected !!