অরিজিনাল ফোন চেনার উপায়

অরিজিনাল ফোন চেনার উপায় | মোবাইল সিক্রেট কোড দেখুন

আজ আমরা জানবো ভিভো, অপ্পো, সিম্ফনি, নোকিয়া, স্যামসাং, হুয়াওয়ে সহ সকল অরিজিনাল ফোন চেনার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত। কারণ ফোন সম্পর্কে না জানার কারণে হয়ত আপনি নকল ক্লোন এবং আন অফিসিয়াল ফোন কিনে নিতে পারেন। তাই ফোন কেনার আগে একবার হলেও আসল ফোন চেনার উপায় বৈশিষ্ট গুলো জেনে নিন। তারপর ভিভো, অপ্পো, সিম্ফনি, নোকিয়া, স্যামসাং, হুয়াওয়ে সহ সকল অরিজিনাল কিনুন এবং নিরাপদ নিশ্চিন্ত থাকুন।

সূচীপত্র

সব ব্রান্ডের অরিজিনাল ফোন চেনার উপায় :

আসল ফোন চেনার উপায় IMEi ভেরিফিকেশন :

(IMEi Verification Method) বৈধ মোবাইল চেনার উপায় সহজ উপায় গুলোর মধ্যে মোবাইলের IMEi রেকর্ড পরিক্ষার মাধ্যমে মোবাইলের বৈধতা যাচাই করা সব থেকে ভালো। কারণ আন অফিসিয়াল ফোনের IMEi রেকর্ড থাকে না। আর আসল ভিভো, অপ্পো, সিম্ফনি, নোকিয়া, স্যামসাং, হুয়াওয়ে সহ সকর কোম্পানির অফিসিয়াল ফোনের IMEi রেকর্ড থাকে। তাই আপনি চাইলে আপনার কোম্পানির ব্রান্ড ওয়েবসাইট থেকে আইএমইআই রেকর্ড চেক করে মোবাইলের বৈধতা যাচাই করতে পারেন।

মোবাইল ফোনে IMEi দেখার নিয়ম:

আপনার মোবাইলে টাইপ করুন *#06# চাপুন সাথে সাথে ১৫ ডিজিটের International Mobile Identification Number চলে আসবে। তারপর আপনি বিভিন্ন ভাবে কোডটি পরিক্ষা করে আসল ফোন সনাক্ত করতে পারেন। আপনি আনলাইনে বিভিন্ন ভাবে IMEi ব্যবহার করে আসল না নকল ফোন তা সনাক্ত করতে পারেন। আবার মোবাইলের আসল তথ্য গুলো আপনার নিজের ফোনের সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন। নকল ফোনে কখনো আসল ফোন এর মত পারফামেন্স হবে না।

ফোন সিক্রেট কোড ভেরিফিকেশন:

(Secret Code Verification) প্রতিটা কোম্পানির মোবাইল ফোনের সিক্রেট কোড থাকে। ফোনকে সহজে কোডের মাধ্যমে ডায়াল আপ করে আসল ভিভো, অপ্পো, সিম্ফনি, নোকিয়া, স্যামসাং, হুয়াওয়ে সহ সকল ফোনের কনফিগারেশন সম্পর্কে জেনে নেওয়া সম্ভব। মোবাইলের সিক্রেট কোড জানতে গুগলে মোবাইলের নাম ও মডেল লিখে সার্চ করলে পেয়ে যাবেন। অরিজিনাল ফোন চেনার উপায় যেমন- OPPO f1 all secret Code

অপ্পো মোবাইল সিক্রেট কোড :

  • *#06# আইএমইআই দেখার কোড।
  • *#12345# ফোন রেজিস্টার দেখার কোড।
  • *#8778# ফোন রিসেট করার কোড।
  • *#808# ম্যানুয়ালী ফোন পরিক্ষা কোড।

ভিভো মোবাইল সিক্রেট কোড :

  • *#06# আইএমইআই দেখার কোড।
  • *#07# ওয়েট সার দেখা কোড।
  • *#*#225#*# ক্যালেন্ডার দেখার কোড।
  • *#*#759#*# ইজার ইন্টার ইনফরমেশন।
  • *#*#36254#*# ব্রাউজার দেখার কোড।
  • *#*#4838#*# ফোনের বিভিন্ন তথ্য দেখা।
  • *#558# ফ্যাক্টরী টেস্ট রিসেট করা কোড।

এন্ড্রয়েড সব মোবাইল সিক্রেট কোড :

  • *#06# আইএমইআই দেখার কোড।
  • *2767*3855# – ফোনের ফ্যাক্টরি রিসেট কোড
  • *#*#4636#*#* – ফোন এবং ব্যাটারি সংক্রান্ত তথ্য।
  • *#*#273282*255*663282*#*#* -সকল মিডিয়া ফাইল ব্যাকআপ কোড।
  • *#*#197328640#*#* – সার্ভিস  টেস্ট মোড কোড।
  • *#*#1111#*#* –  ফোনের FTA সফটওয়্যার ভার্সন ।
  • *#*#1234#*#* –  PDA এবং firmware ভার্সন।
  • *#*#232339#*#* – Wireless LAN টেস্ট কোড।
  • *#*#0842#*#* – ব্যাক লাইট ও ভাইব্রেসন টেস্ট কোড।
  • *#12580*369# – সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ইনফর্মেশন।
  • *#*#2664#*#* – ফোনের টাচ স্ক্রীন টেস্ট কোড।
  • *#9900# – ফোনের সিস্টেম ডাম্প মোড।
  • *#9090# – ডায়াগনস্টিক কনফিগারেশন।
  • *#*#34971539#*#* – ফোনের ক্যামেরা ইনফর্মেশন।
  • *#872564# – ইউএসবি লগিন কন্ট্রোল।
  • *#301279# – HSDPA/HSUPA  কন্ট্রোল মেনু।
  • *#7465625# – ফোনের লক স্ট্যাটাস।
  • *#*#8255#*#* – ফোনের G Talk সার্ভিস মনিটর কোড।
  • *#*#4636#*#* – ফোন এবং ব্যাটারি ইনফর্মেশন।
  • *#*#7780#*#* – ফ্যাক্টরি রি-স্টোর সেটিং, গুগল সিস্টেম ডাটা মুছে যাবে।
  • *2767*3855#  –  ফ্যাক্টরি ফরম্যাট সেটিং, সকল ইন্টারনাল এবং এক্সটারনাল ডাটা মুছে যাবে। *#*#273283*255*663282*#*#* – ফাইল কপি স্ক্রীন, সব ব্যাকআপ করা ।
  • *#*#197328640#*#* – সার্ভিস মোড কোড, বিভিন্ন টেস্ট সেটিং এর জন্য।
  • *#*#7594#*#* –  ইন্ড কল বা পাওয়ার বাটন কে ডাইরেক্ট পাওয়ার অফ বাটন করবে।
  • *#*#34971539#*#* – ক্যামেরা ইনফর্মেশন আপডেট অপশন টি ব্যবহার করবেন না।

ওয়াইফাই, ব্লতুথ সিক্রেট কোড :

  • *#*#232338#*#* –  ফোনের ওয়াইফাই ম্যাক এড্রেস।
  • *#*#1472365#*#* –  ফোনের জিপিএস টেস্ট।
  • *#*#1575#*#* –  এটাও জিপিএস টেস্ট কোড।
  • *#*#232331#*#* – ফোন ব্লুতুথ টেস্ট কোড।
  • *#*#232337#*#  – ব্লুতুথ ডিভাইস ইনফর্মেশন।
  • *#*#0588#*#* – ফোনের প্রক্সিমিটি সেন্সর টেস্ট।
  • *#*#0*#*#* –  ফোনর এলসিডি টেস্ট।
  • *#*#2664#*#* –  ফোনের টাচ স্ক্রীন টেস্ট।
  • *#*#2663#*#* –  ফোনের টাচ স্ক্রীন ভার্সন।
  • *#*#0283#*#* –  ফোনের প্যাকেট লুপ ব্যাক।
  • *#*#0673#*#*- মেলোডি টেস্ট, নিচের টাও একই কোড।
  • *#*#0289#*#* –  মেলোডি টেস্ট, উক্ত কোডের একই কাজ।
  • *#*#3264#*#* –  রম ভার্সন টেস্ট, উক্ত কোডের একই কাজ।
  • *#*#232339#*#*- W-LAN টেস্ট কোড, টেস্টের জন্য মেনু ব্যবহার করুন।
  • *#*#526#*#* – W-LAN টেস্ট কোড, উক্ত কোডের একই কাজ।
  • *#*#528#*#* –  W-LAN টেস্ট কোড, উক্ত কোডের একই কাজ।

হুয়াওয়ে মোবাইল সিক্রেট কোড:

  • *#06# আইএমইআই দেখার কোড
  • বাকি কোডগুলো কয়েকদিন পর পাবেন।

নোকিয়া মোবাইল সিক্রেট কোড:

  • *#06# আইএমইআই দেখার কোড
  • বাকি কোডগুলো কয়েকদিন পর পাবেন।

স্যামসাং মোবাইল সিক্রেট কোড :

  • *#06# আইএমইআই দেখার কোড
  • বাকি কোডগুলো কয়েকদিন পর পাবেন।

সিম্ফনি মোবাইল সিক্রেট কোড :

  • *#06# আইএমইআই দেখার কোড
  • বাকি কোডগুলো কয়েকদিন পর পাবেন।

মোবাইল ভেরিফিকেশন অ্যাপ:

(Mobile Verification App) আপনি যদি প্লে-স্টোর খোঁজ করেন তাহলে দেখবেন মোবাইল ভেরিফিকেশনের জন্য অনেক ফ্রি অ্যাপ রয়েছে । আবার অনেক কেম্পানির নিজেস্ব অ্যাপের মাধ্যমে কিউআর কোড এবং মোবাইল একটিভেশন ভেরিফিকেশন করা যায়। আপনি চাইলে সেই অ্যাপের মাধ্যমে কিউআর কোড স্ক্যান করে মোবাইলের সকল তথ্য জেনে নিতে পারেন। কারণ মোবাইলের কিউআর কোর্ড বা আইএমইতে প্রতিটা মোবাইলের সকল রেকর্ড সহকারে দেওয়া থাকে। অফিসিয়াল ও আন অফিসিয়াল মোবাইল ফোনের পার্থক্য জানাতে হলে মোবাইল অ্যাপ ভ্যারিফিকেশন করতে হবে।

ফোন ব্রেঞ্চমার্ক পরীক্ষা:

(Benchmark test Method) এখন মার্কেটে নকল মোবাইলের ছড়া-ছড়ি তাই আসল মোবাইল কোম্পানি গুলো তাদের ব্রান্ড চেনার জন্য অফিসিয়ালি ভাবে তাদের নিজেশ্ব মোবাইলে অ্যাপ তৈরী করেছে এবং ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য দিয়েছে। যা আপনি মোবাইল কোনার আগে মোবাইলে অ্যাপটি ডাউনলোড করে সেটআপ করে নিবেন। যদি অ্যাপটি না পান তাহলে গুগলে প্রথমে …….মোবাইলে কোম্পানির লিখে সার্চ দিবেন তাহলে চলে আসবে । তারপর মোবাইলের মাধ্যমে উক্ত লিংকে গিয়ে আপনার মোবাইলের বার কোডটি অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করবেন। স্ক্যান করলে কিছুক্ষণ পর ভেরিফিকেশন দেখতে পাবেন, এভাবে আপনার আসল ভিভো, অপ্পো, সিম্ফনি, নোকিয়া, স্যামসাং, হুয়াওয়ে ফোনটি পরীক্ষা করতে পারেন।

মোবাইলের ভার্সন পরিক্ষা:

(Cheek Mobile Version) সব সময় দেখা যায় নকল মোবাইল ডিভাইস গুলোতে আলাদা ভাবে Rom থাকে। অর্থাৎ আমরা যাকে বলি ফোন মেমোরী। সুতরাং আপনি প্রথমেই আপনার Rom দেখে নিন। আপনি যদি বুঝতে না পারেন তাহলে ইন্টারনেটে সার্চ দিন। তাহলে গুগলে বিভিন্ন ওয়েবসাইট পাবেন যেগুলোতে অফিসিয়াল ফোনের রম ভার্সন পরীক্ষা করে নিতে পারেন।

কোম্পানির অনথেনটিকেশন লেভেল:

(Authentication Lable Method) আপনি যখন কোন ব্রান্ডের নতুন ফোন ক্রয় করবেন প্রতিটা ফোনের বক্সের সাথে যে লেবেল নাগানো থাকে, যেখানে IMEi সহ একটি সিকিউরিটি স্টিকার থাকে যার সাথে 20 ডিজিটের একটি পিন সংখ্যা থাকে। যা আপনাকে ক্র্যাচ করে উঠিয়ে অনলাইনে ভেরিফাই করতে হবে। তবে সব মোবাইল ফোন এর সিকিউরিটি কোড থাকে না। কিন্তু IMEi কোড থাকে, আপনি যদি মনে করেন IMEi দিয়ে আপনার ফোনটি ভেরিফাই করবেন তাহলে নিচের বাটনে ক্লিক করে IMEi  কোড দিয়ে ফোন সম্পর্কে সব তথ্য জেনে সহজেই ভেরিফাই করতে পারেন।

মোবাইল সিস্টেম ভেরিফাই:

(Install Stock Rom) কেউ যদি নকল ফোনে অফিসিয়াল স্টক Rom ব্যবহার করতে যান তাহলে তা ব্রিক হয়ে যাবে। কারণ হলো আপনি যখন নকল ফোনে অফিসয়াল Rom ইনস্টল করতে যাবেন তখন আপনার মোবাইলের সিস্টেমকে বিভিন্ন ভাবে চেক করে দেখবে। তার মধ্যে হলো ডিভাইস কোড নাম, হার্ডওয়্যার পরীক্ষা, ডিজিটাল সিগনেচার, ফার্মওয়্যার চেক ইত্যাদি যা নকল মোবাইলের সাথে মিলে না ফলে ফোন ডেড হয়ে যায়।

মোবাইলের মোড়ক বক্স:

(Inbox Accessories) সব সময় আপনার মোবাইল কেনার সময় যে বক্স থাকবে এবং সাথে যা যা থাকবে তা ভালো ভাবে পরীক্ষা করে নিবেন। কারণ যদি দেখে মনে হয় কেন একটা পার্টস নকল বা কালার কেমন লাগছে বা কিছু একটা অন্য মনে হয় তাহলে ফেনটিও নকল হতে পারে। আপনারা হয়ত অনেক বার ফোন কেনার সময় দেখেছেন ভালো ভাবে ইনটেক করা থাকে, লেবেল করা থাকে, এভাবে ভিতরেও লেবেল করা থাকে। অ্যাপ যদি দিয়ে কিউআর কোড স্ক্যান করেন তাহলে ডিভাইসের সাথের প্রতিটা যন্ত্র মিল থাকবে যা ফোন কোনার সময় এই দিকে খেয়াল রাখবেন।

আসল মোবাইলের গঠনের তুলনা :

(Physical Comparison) আপনার ফোন কেনার আগে অন্য জনের ফোন একটু ব্যবহার করে দেখতে পারেন। তাহলে আপনার হাতে নকল মোবাইল আসলে আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন। কারণ নকল ফোনের বিভিন্ন জিনিস আসল ফোনের তুলনায় অনেক লো-কোয়ালিটি হয়ে থাকে। নকল ফোন ব্যবহার করলেই বোঝা যায়। তবে আপনি যদি পাকা ফোন ব্যবহার কারী হন তাহলে নকল ফোন আপনার হতে আসলে আপনার মনে ডাউট হবে, কেমন কেমন লাগবে, সন্দেহ জাগতে পারে, তখুন পরীক্ষা করে নিবেন অথবা অন্য দোকানে দেখবেন। আসল ফোনের সফটনেস হবে অন্য রকম। এছাড়া আপনি মোবাইলে কেনার আগে গুগল ইউটিউবে বিস্তারিত দেখে দোকানে যেতে পারেন।

ফোনের দামের পার্থক্যতা:

(Compare Price Method) আপনাকে মোবাইলের দামের ব্যাপারটা পরিস্কার জেনে নিতে হবে মোবাইলের মার্কেট দর কেমন, চাইনা মোবাইলের মার্কেট দাম কেমন। যদি মার্কেট দামের তুলনায় দাম কমে পাওয়া যায় তাহলে বুঝতে হবে মোবাইলটি নকল হতে পারে। আশা করছি আমার দেওয়া ইফরমেশন ব্যবহার করে আসল আসল ভিভো, অপ্পো, সিম্ফনি, নোকিয়া, স্যামসাং, হুয়াওয়ে যেকোন মোবাইলটি কিনতে পারবেন।

মোবাইল কনফিগারেশন:

(Mobile Configurations) অ্যাবাউট ফোনে গিয়ে মোবাইলের অরিজিন্যাল কনফিগারেন ভালোভাবে বিস্তারিত জেনে নিবেন। কারণ এমনও হতে পারে আপনার ভিভো, অপ্পো, সিম্ফনি, নোকিয়া, স্যামসাং, হুয়াওয়ে মোবাইলের কাভারে এক রকম কনফিগারেশন আছে কিন্তু ফোনের অ্যাবাউটে অন্য কনফিগারেন দেওয়া আছে।

জেনারেশন সাপোটের্ড মোবাইল:

(Generation Supported Mobile) মোবাইলের জেনারেশন সাপোর্ট দেখে কিনতে হবে কারণ ক্লেন ফোন দেখতে একই হতে পারে কিন্তু জেনারেশন সাপোর্ট অন্য হয়ে থাকে। দরকার হলে ফোন কেনার আগে অন্য কারে ফোন একট চেকআপ করে জেনে কিনতে যেতে হবে। সকল ব্রান্ড যেমন ভিভো, অপ্পো, সিম্ফনি, নোকিয়া, স্যামসাং, হুয়াওয়ে ফোন ইত্যদি সহ।

মোবাইল র‌্যাম কনফিগারেশন:

(Mobile Ram Configurations) : মোবাইলের রম কনফিগারেশন জানতে হবে কারণ এখানেও সমস্যা থাকতে পারে। আপনার ফোনে অফিসিয়াল রম কত জিবি আপডেটেবল রম কি-না। আন অফিসিয়াল রম ভালো ভাবে জানতে হবে। তারপর যেকোন ভিভো, অপ্পো, সিম্ফনি, নোকিয়া, স্যামসাং, হুয়াওয়ে আসল ফোন চেনার উপায় জেনে কিনতে পারবেন।

ডিসপ্লে টাচ কনফিগারেশন:

(Display Touch Configuration) আপনি যে ফোনটি ক্রয় করবেন তার আসল ডিসপ্লে টাচ কনফিগারেশন ও ব্যবহার সম্পর্কে জানতে হবে। তাহলে মোবাইল হতে নিয়ে টাচ করা মাত্র মোবাইল সম্পর্কে আপনি বুঝতে পারবেন। বাজারে আসল ভিভো, অপ্পো, সিম্ফনি, নোকিয়া, স্যামসাং, হুয়াওয়ে ফোন চিনতে পারবেন।

ক্যামেরা, ফ্রন্ট ক্যামেরা, ফ্লাস লাইট:

(Camera, Font Camera, Flash Light) যেকোন মোবাইল  ক্রয় করার আগে ফোনের ক্যামেরা, ফ্রন্ট ক্যামেরা, ফ্লাস লাইট ভালো ভাবে চেক করুন। কারণ নকল ভিভো, অপ্পো, সিম্ফনি, নোকিয়া, স্যামসাং, হুয়াওয়ে ক্লোন ফোনে এসব একদম লো কোয়ালিটির খারাপ হয়ে থাকে যা কিছুদিন ব্যবহারের পর বুঝতে পারা যায়।

ব্যাটারী পারফামেন্স অ্যাম্পিয়ার :

(Battery Perfumes Method) আসল ফোনের ব্যাটারী ব্যাটারী পারফামেন্স অ্যাম্পিয়ার অনেক ভালো হয়ে থাকে কিন্তু নকল ক্লোন ফোনের এসব খুব খারাপ হয়ে থাকে তাই আপনি। আসল ভিভো, অপ্পো, সিম্ফনি, নোকিয়া, স্যামসাং, হুয়াওয়ে ফোনের ব্যাটারী পারফামেন্স জেনে নিন।   

ফোন নেটওয়ার্কিং একসেস ডিভাইস:

(Mobile Networking Access Device)  মোবাইলের সকল নেটওয়ার্ক পরিক্ষা করতে হবে যেমন- সিম নেটওয়ার্ক, ওয়াইফাই, ব্লতুথ, শেয়ারইট ইত্যাদি। কারণ মাস্টার কপি ক্লোন ভিভো, অপ্পো, সিম্ফনি, নোকিয়া, স্যামসাং, হুয়াওয়ে ফোনে এসব নেটওয়ার্কিং সার্ভিস ভালো থাকে না।

স্মার্টফোন এর নতুন ফিচার:

(New Feature in Smartphone) নতুন ফোন কেনার আগে সেই অরিজিনাল ফোন চেনার উপায় ও ফোনের ফিচার গুলো সম্পর্কে আগে গুগল করে জানুন তাহলে আসল ফোন চিনতে অনেক সোজা হবে নকল আসল ভিভো, অপ্পো, সিম্ফনি, নোকিয়া, স্যামসাং, হুয়াওয়ে ফোন হাতে আসলে সহজেই বুঝতে পারবেন এটা ক্লোন বা মাস্টার কপি ফোন।

আসল শাওমি ফোন চেনার উপায় জানুন

অফিসিয়াল ও আন অফিসিয়াল ফোনের পার্থক্য জানুন

ভালো মোবাইল চেনার উপায় জানুন

Leave a Reply

DMCA.com Protection Status