অন পেজ অপটিমাইজেশন। On Page SEO [Full update]

আপনার ওয়েবসাইট গুগল বা গুগলের মত সার্চ ইঞ্জিনের প্রথমে আনতে বা গুগলে র‌্যাংকিং করাতে হলে আপনাকে অন পেজ অপটিমাইজেশন /On Page SEO করতে হবে। নতুবা আপনি যে উদ্দেশ্যে আপনার ওয়েবসাইট তৈরী করেছেন সেটা কখনো পূরণ হবেনা। এসিও অর্থ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন  আর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের বিভিন্ন ধাপগুলোর মধ্যে অনপেইজ এসইও একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যেটা ওয়েবসাইটের মধ্যে লগিন অবস্থায় করতে হয়।

এজন্য অন পেজ অপটিমাইজেশন /On Page SEO সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মধ্যে যে ধাপগুলো রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে অনপেইজ এসইও। অনপেইজ এসইও প্রতিটা ওয়েব মাস্টারের জানা অবশ্যক তাই আজ আমি আপনাদের অনপেজ এসইওর বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোচনা করবো।

অনপেজ এসইও হলো ওয়েবসাইটের মধ্যেকার কাজ, যেটা করতে হলে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের মধ্যে প্রবেশ করতে হবে। অথার্ৎ ওয়েবসাইটের মধ্যে লগিন অবস্থায় বিভিন্ন কাজ করাকে অনপেইজ এসইও বলে। এটা আপনার নিজের সাইটের জন্য করতে পারেন। আবার বিভিন্ন ওয়েবসাইটের অনারের হয়ে কাজটি করে দিয়ে আনিং করতে পারেন এজন্য তাদের পারমিশন নিয়ে ইউজার লগিন ব্যবহার করতে হবে।

অন-পেজ অপটিমাইজেশন করতে হলে আপনাকে যা করতে হবে:

কোয়ালিটিফুল কনটেন্ট পোস্ট করা:

আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ১০০% কোয়ালিটিফুল কনটেন্ট রাইটিং করতে হবে। আপনি যদি না পারেন তাহলে আপনার রাইটারকে দিয়ে সঠিক কিওয়ার্ড রিসার্চ করে কনটেন্ট রাইটিং করাতে হবে। কনটেন্ট বলতে আর্টিক্যাল, ছবি, গ্রাফিক্স, অডিও-ভিডিও মোটকথা যেটা আপনার ভিজিটার চাই।

আপনার যদি কনটেন্ট ভালো হয় তাহলে এমনি ভিজিটর আসবে সবাই আপনার সাইটের তথ্য নেয়ার চেষ্টা করবে এভাবে আপনার সাইট গুগলে র‌্যাংকিং করবে। কনটেন্ট রাইটিংয়ের পর পোস্ট করার সময় আপনাকে বিশেষ কিছু দিকের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে যেমন-

আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ১০০% কোয়ালিটিফুল কনটেন্ট রাইটিং করতে হবে। আপনি যদি না পারেন তাহলে আপনার রাইটারকে দিয়ে সঠিক কিওয়ার্ড রিসার্চ করে কনটেন্ট রাইটিং করাতে হবে। কনটেন্ট বলতে আর্টিক্যাল, ছবি, গ্রাফিক্স, অডিও-ভিডিও মোট কথা যেটা আপনার ভিজিটার চাই।

আপনার যদি কনটেন্ট ভালো হয় তাহলে এমনি ভিজিটর আসবে সবাই আপনার সাইটের তথ্য নেয়ার চেষ্টা করবে এভাবে আপনার সাইট গুগলে র‌্যাংকিং করবে। কনটেন্ট রাইটিংয়ের পর পোস্ট করার সময় আপনাকে বিশেষ কিছু দিকের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে যেমন-

ইউআরএল অপটিমাইজেশন :

আপনার পোস্টের ইউআরএল শর্ট এবং কিওয়ার্ড  হতে হবে বেশি লং করা যাবেনা।

টাইটেল অপটিমাইজেশন:

আপনি যে পোস্টটি করবেন তার টাইটেল হতে হবে একদম  শর্ট মূল কথার উপর। টাইটেল বা হেডিং আপনার কনটেন্টের কিওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে লিখতে হবে।

ট্যাগ অপটিমাইজেশন:

কনটেন্ট পোস্ট করার সময় অবশ্যই আপনার কনটেন্ট রিলেটেড কিছু ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে। যেমন আপনি যদি একটা নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর কিছু লিখেন সে লিখার সাথে মিল রেখে কিছু ট্যাগ ব্যবহার করতে হয় যেগুলো লিখে মানুষ গুগলে সার্চ করলে আপনার সাইট চলে আসবে। কিন্তু অবশ্যই আপনার কনটেন্ট সাথে সে ট্যাগ গুলোর মিল থাকতে হবে।

মেটা ডিসক্রিপশন অপটিমাইজেশন:

মেটা ডিসক্রিপশন হচ্ছে কোন কনটেন্ট পোস্ট করার সময় সার্চ ইঞ্জিনকে আলাদা ভাবে বলে দেয় যে এই পোস্টটা কি বিষয়ে লিখা হয়েছে। তাহলে সার্চ ইঞ্জিন খুব তাড়াতাড়ি বুঝে নিতে পারে আপনার পোস্ট টা কি বিষয়ে, তখন সার্চ ইঞ্জিনে যে কেউ আপনার কনটেন্টের বিষয় লিখে সার্চ দিলেই সহজে পেয়ে যাবে।

বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে ওয়েবসাইট সাবমিট করা :

আপনার ওয়েবসাইট যখন রেডি ব্যবহার যোগ্য হয়ে যাবে আর কোন কাজ করা লাগবেনা। তখন বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনকে আপনার সাইট কে সাবমিট করতে হবে। যেমন- গুগল ওয়েবমাস্টার, ইয়াহু ওয়েবমাস্টার, বিং ওয়েবমাস্টার, বাইদু ওয়েবমাস্টার, ইত্যাদি।

এগুলো গুগলে সার্চ করলে পেয়ে যাবেন। তবে সব চেয়ে পপুলার গুগল ওয়েবমাস্টার। সবাই গুগলেই বেশি সার্চ করে তার পর বিং, এই দুইটা সার্চ ইঞ্জিনকে সাবমিট করলেই আপনার ওয়েবসাইট লাইভ বা সার্চ ইঞ্জিনের সার্চ পেজে ইউজার পেয়ে যাবে। অনেকেই তাদের ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করেনা ফলে তাদের ইউজার কম, তাদের ওয়েবসাইট সার্চ রেজাল্টে তারা আসেনা।

ওয়েবসাইটের সাইট-ম্যাপ সাবমিট করা :

যাদের ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট তার ইওস্ট এসইও প্লাগিন ব্যবহার করে সাইট-ম্যাপ জেনারেট করে নিতে হবে। সাইট-ম্যাপ হলো আপনার ওয়েবসাইটের কোথায় কি আছে তার একটা লিস্ট যেটা সব ওয়েব মাস্টারের সাবমিট করলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট ক্রল বা ইনডেক্স করা শুরু করে দিবে। এজন্য অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটের সাইট-ম্যাপ সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করবেন। একবার সাবমিট করলেই হয়ে যাবে। সার্চ ইঞ্জিন অটোমেটিক প্রতিটা পোস্ট ইনডেক্স করতে থাকবে। যেমন- http://emakerbd.com/sitemap_index.xml

নিয়মিত ওয়েবমাস্টার ফলো করা:

আপনি আপনার ওয়েবসাইটের বিভিন্নগুরত্বপূর্ণ তথ্য ওয়েবমাস্টারে পেয়ে যাবেন তাই নিয়মিত আপনার সার্চকনসোল বা ওয়েব মাস্টারের বিভিন্ন তথ্য দেখতে থাকুন। যেমন-

  • আপনার ওয়েবসাইটের বিভিন্ন লিং,
  • কোন কোন ওয়েব সাইট আপনার সাইটকে লিং দিয়েছে,
  • সার্চ ইঞ্জিনের বট আপনার সাইটকে নিয়মিত র্ক্রল করতে পারছে কি-না।
  • আপনার সাইটের কোন সমস্যা আছে কি-না।
  • কোন ইনডেক্স হচ্ছে কোন পেট ইনডেক্স হচ্ছে না
  • ইত্যাদি সব তথ্য পেয়ে যাবেন। তার পর সে সমস্যা গুলো ওয়েব মাস্টারের মাধ্যমে ফিক্স করে ঠিক করতে পারবেন।

গুগল এনালাইটিক্স ইন্টল করা:

আপনার ওয়েবসাইট গুগলে সাবমিট করার পর বুঝবেন কি করে? আপনার সাইট সার্চ ইঞ্জিনের কেমন পারর্ফম করছে। সেজন্য গুগল এনালাইটিক্স আপনাকে ফ্রিতে আপনার সাইটের সকল তথ্য দেয়ার ব্যবস্থা করেছে। আপনি গুগলে ‘গুগল এনালাইটিক্স’ লিখে সার্চ দিলে গুগল এলাইটিক্স চলে আসবে তখন তার নিয়ম ফলো করে আপনার সাইটে এনালাইটিক্স সেট করে নিতে পারেন। গুগল এনালাইটিক্স সেট করলে আপনি আপনার সাইট এবং সাইটের ভিজিটর সম্পর্কে পূর্ণ ডাটা পাবেন যেমন-

গুগল এনালাইটিক্স তথ্য :

  • আপনার সাইটে কতজন ভিজিটর আসছে-যাচ্ছে,
  • ভিজিটর গণ কি করছে,
  • ভিজিটর গণ কোন পেজ থাকে কতক্ষণ থাকছে,
  • ভিজিটর গণ পেজে লিখা পড়ছে কি না,
  • ভিজিটর গণের বয়স কত,
  • ভিজিটর গণ কোন সাইট থেকে আসছে,
  • ভিজিটর গণেরতাদের সখ কি,
  • ভিজিটর গণ ছেলে না মেয়ে,
  • কোন কি ওয়ার্ড সার্চ করে আপনার সাইটে আসছে,

ইত্যাদি হাজার তথ্য ফ্রিতে পেয়ে যাবেন। যদি দরকার হয় আমার সাথে ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন। এসইও সম্পকে আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন

নিয়মিত কনটেন্ট অপটিমাইজেশন করতে হবে:

কনটেন্ট সবসময় সার্চ ইঞ্জিনের জন্য অপটিমাজেশন করতে হবে। কনটেন্ট অপটিমাইজেশন বন্ধ করা যাবেনা। বিভিন্ন সমস্যা খুজে বের করে তার সমাধান করতে হবে।

নিয়মিত নতুন নতুন পোস্ট করতে হবে:

নিয়মিত ওয়েবসাইটের ভিজিটরের জন্য নতুন নতুন নতুন বিভিন্ন পোস্ট দিতে হবে। নতুবা ভিজিটর হারানেরা সম্ভাবনা থাকবে।

সাইটের মধ্যে ইন্টারনাল লিংকিং করা:

আপনার সাইটের প্রতিটা পোস্ট অথবা পেজের মধ্যে ইন্টারনাল লিংকিং করা হবে। যেমন একটা পোস্ট করার সময় তার সাথে মিল আছে এমন পোস্ট যদি আগে পোস্ট করা থাকে তখন সেই পেজের সাথে নতুন পেইজটা কানেক্ট বা লিংকিং করালে গুগলের কাছে আপনার পোস্টটের ভ্যালু অনেক বেড়ে যাবে এজন্য এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

এগুলো সম্পর্কে আমি ভিডিও তৈরী করে দেয়ার চেষ্টা করবো আমার চ্যানেলের সাথে কানেক্ট থাকুন। আর যদি কোন কিছু জানার থাকে তাহলে আমাকে কমেন্ট করতে পাবেন। এসইও সম্পর্কে আরো জানতে এসইও ক্যাটাগরি সার্চ করুন। কারণ এসইও অনেক বড় একটা বিষয় যেটা একবারে লিখে বোঝানো সম্ভব নয় তাই আস্তে আস্তে আমি এসইওর সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো।

Leave a Reply

error: Content is protected !!