পুরাতন ল্যাপটপ কেনার

পুরাতন ল্যাপটপ কেনার আগে পরীক্ষা করার নিয়ম

আপনি যদি পুরাতন ল্যাপটপ ক্রয় বা কিনতে চান তাহলে দেখবেন ১০-১২ হাজার টাকার মধ্যে ভালো কনফিগারেশন এর ল্যাপটপ পেয়ে যাবেন। কিন্তু পুরনো ল্যাপটপ কেনার আগে আপনার যে বিষয় গুলো পরীক্ষা করে দেখে নেওয়া উচিৎ আজ আমি আপনাদের সে বিষয় গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত বলবো। যেন আপনি সেকেন্ডহ্যান্ড ল্যাপটপ কিনে ঠকে না যান। কারণ বিক্রয়ের পরে কেউ টাকা ফেরত দেয় না দিতে চাই না। তাহলে চলুন পুরাতন ল্যাপটপ কোনার আগে কোন বিষয় গুলো দেখে কিনতে হবে বিস্তারিত জেনেনি।

সূচীপত্র

পুরাতন ল্যাপটপ ক্রয়ের আগে পরীক্ষার নিয়ম:

ক্যাশ মেমো দেখে ল্যাপটপ কেনা :

আপনি যদি কোন পুরাতন ল্যাপটপ কিনতে চান, তাহলে সবার আগে সেই ল্যাপটপের ক্যাশ মেমো নিয়ে দেখতে হবে। কারণ ক্যাশ মেমোর সাথে ল্যাপটপের সিরিয়াল মিল আছে কি-না, বা উনি পুরাতন কিনেছেন কি-না বা চোরাই ল্যাপটপ কি-না জানা যাবে। যদি মিল থাকে তাহলে ল্যাপটপের সেই সিরিয়ালের সাথে ব্যাটারী, চার্জার এডাপ্টার, সহ সকল ডিভাইস ইত্যাদি যা যা দেখা সম্ভাব দেখে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। তাহলে ঠকার চাঞ্জ অনেক টা কমে যাবে। কারণ ল্যাপটপ এর সম্পূর্ণ কন ফিগারেশন মেমো বিলে বা প্যাকেজে বিলে উল্লেখ করা থাকে।

ল্যাপটপের বডি পরীক্ষা করা :

পুরাতন ল্যাপটপের বডি ঠিক আছে কি-না ভালো ভাবে দেখতে হবে। যেমন- কোথাও ভাঙ্গা, আঘাতের চিহ্ন, আছাড়ের দাগ ইত্যাদি ভালো ভাবে দেখে নিতে হবে। যদি আছাড় বা  অঘাদের দাগ না থাকে তাহলে ল্যাপটপ টা অনেকটাই ভালো বুঝতে হবে। কারণ অনেক সময় দেখা যায় ল্যাপটপের কোন সমস্যা থাকলে সেটা গোপন করে ল্যাপটপ বিক্রয় করতে চায়। ফলে আপনি যদি তার গোপন বিষয় না ধরতে পারেন তাহলে ঠকে যাবেন। এজন্য ভালো ভাবে দেখে নিতে হবে।

ইনপুট আউটপুট পোর্ট পরীক্ষা করা :

পুরনো ল্যাপটপ কেনার আগে ল্যাপটপের সকল ইনপুট আউটপুট ‍ডিভাইস ও ইউএসবি সহ সকল কানেক্টর পরীক্ষা করে নেওয়া দরকার। যেমন- সকল কানেক্টর, ইউএসবি, ভিজিএ পোর্ট মাইক্রোফোন, হেডফোন, ডিসপ্লে, কিবোর্ড, মাউস প্যাড ইত্যাদি। কারণ এগুলো খারাপও থাকতেও পারে। তাই টাকা দেওয়ার আগে একটু সময় নিয়ে যদি এগুলো চেক করে নিতে পারেন তাহলে ঠকে যাওয়ার সম্ভবনা থাকবে না।

ইউএসবি পোর্ট পরীক্ষা করা :

ল্যাপটপ কেনার আগে একটা সাথে একটা পেন ড্রাইভ নিয়ে ইউএসবি পোর্ট গুলো পরিক্ষা করে নিতে হবে। কারণ আপনি টাকা দিয়ে কেনার পর কোন সমস্যা থাকলে সে সেটা বিক্রেতা মেনে  না নিতে পারে। এবং ল্যাপটপ ফেরত না নিতে পারে। এজন্য যতটা সম্ভব সব কিছু দেখে বুঝে নেওয়ায় ভালো হবে এসব ব্যাপারে কোন সময় হুক-মুক করা যাবেনা।

হেডফোন পোর্ট পরীক্ষা করা :

নিজের একটা হোডফোন থাকলে ল্যাপটপের হেডফোনের পোর্ট পরীক্ষা বা চেক করে নেওয়াই ভালো হবে, কারণ ল্যাপটপ কেনার পর যদি হেডফোন সাপোর্ট না করে তখন হয়ত আপনার মাথা কতটা খারাপ হতে পারে নিজে না ঠকলে বুঝতে পারবেন না।

মাইক্রোফোন পরীক্ষা করা :

ল্যাপটপের হেডফোনের সাথে সাথে মাইক্রোফোন এবং এক্সট্রানাল মাইক্রোফেন সকেট গুলো পরিক্ষা করে নেওয়াই উচিৎ কারণ ইন্টারনাল বা ভিতরে থাকা মাইক্রোফোনটা যদি ব্যবহার কারী নষ্ট করে দেয় বা এক্সট্রানাল মাইক্রোফোনের সকেট নষ্ট করে দেয় তাহলে পরবর্তীতে অডিও ভিডিও রেকডিং কারার সময় আপনার ভোগান্তির শেষ থাকবে না।

ক্যামেরা পরীক্ষা করা :

অনেক সময় দেখা যায় ল্যাপটপের ডিসপ্লের উপর থাকা ক্যামেরা নষ্ট বা অন সাপোর্ট হয়ে থাকে। ফলে ক্যামেরা আর কাজ করে না। পুরাতন ল্যাপটপটা যদি এমন সমস্যা থেকে থাকে তাহলে। আপনাকে পরবর্তীতে ভোগান্তি পোহাতে হবে। যদি ক্যামেরা ডিভাইস খারাপ থাকে তাহলে পরিবর্তন করে নিতে পারেন কিন্তু যদি মাদাবোর্ড থেকে সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে মহাবিপদে পড়তে পারেন।

ওয়াইফাই পরীক্ষা করা :

ল্যাপটপ মানেই ইন্টারনেট চালানো আর ইন্টারনেট মানেই ওয়াইফাই সংযোগ তাহলে ল্যাপটপ কেনার আগে একবার আপনার ওয়াইফাই বা যেকোন ওয়াইফাই সংযোগ করে দেখতে পারেন। দরকার হলে নিজের মোবাইলের হটস্পট অনকরেও দেখতে পারেন। তাহলে ঠকার সম্ভাবনা অনেক কম থাকবে।

হটস্পট পরীক্ষা করা :

আপনি যদি কারো কাছে ইন্টারনেট বা কোন ফাইল শেয়ার করতে চান তাহলে শেয়ারইট এ হটস্পট এর প্রয়োজন হয়। এজন্য সম্ভব হলে ক্রয়করার পর ল্যাপটপের হটস্পট টা অন করে মোবাইলে কানেক্ট করে দেখতে পারেন। কারণ এসকল ডিভাইস সহজেই নষ্ট হয়ে যায়।

ব্লুতুথ পরিক্ষা করা :

যেকোন ছোট খাটো ডিভাইস ল্যাপটপের সাথে কানেক্ট করতে ব্লুতুথ সংযোগের অনেক প্রয়োজন। যেমন- হেডফোন, কিবোর্ড, মোবাইল, মাউস ইত্যাদি তাই সম্ভব হলে ল্যাপটপের ব্লুতথ ডিভাইসটি অন করে একবার হলেও পরিক্ষা করে নিতে পারেন।

নেটওয়ার্ক পরিক্ষা করা :

অনেক সময় দেখা যায় ল্যাপটপ কেনার পর ল্যাপটপে নেটওয়ার্ক ঠিকমত কাজ করে না। যেমন- ইন্টানেট সংযোগ, ওয়াইফাই কানেক্ট সব কিছু ঠিক থাকার পরেও নেট কানেক্ট হয়না। কানেক্ট হলে আবার নেটওয়ার্ক পাইনা। এমন সমস্যা আপনার পুরোনো ল্যাপটপে থাকতে পারে এজন্য নেটওয়ার্ক জনিত সমস্যা আছে কি-না পরিক্ষা করে নিতে পারেন।

ডিভিডি রাইটার পরীক্ষা করা :

সাথে সাথে একটা ডিভিডি রাইটারে প্রবেশ করিয়ে ডিভিডি রাইটারটিও পরিক্ষা করে নিতে পারেন। কারণ ডিভিডি রাইটার নষ্ট হওয়া কম্পিউটারের একটা কমন সমস্যা। এজন্য এটা টেস্ট করতে কখনো ভূলবেন না। ডিভিডি প্রবেশ করিয়ে কপি পেস্ত করে বা ভিডিও প্লে করে ঠিকমত কাজ করছে কি-না দেখে নিতে পারেন।

এসডি কার্ড স্লট পরীক্ষা করা :

ল্যাপটপে যদি এসডি স্লট থাকে তাহলে একটা এসডি কার্ড বা মেমোরী কার্ড লাগিয়ে দেখে নিতে হবে সেটা ঠিকমত কাজ করছে কি-না। যদি কাজ না করে তাহলে আপনার ঠিক করতে অনেক টাকা খরচ হয়ে যেতে পারে। মনে রাখবেন ল্যাপটপ সার্ভিসিং একটা ব্যয় বহুল কাজ।

কিবোর্ড বাটন পরীক্ষা করা :

পুরনো ল্যাপটপের কিবোর্ড পরিক্ষা করে নিতে হবে কারণ অনেক সময় দেখা যায়। ল্যাপটপের এমন একটা বাটন কাজ করছেনা যেটা আপনি ধরতেই পারলেন না। তখন পরবর্তীতে ঠিক না হলে আপনাকে নতুন 1500-2000/- হাজার টাকা দিয়ে কিনতে হতে পারে। এজন্য ল্যাপটপ অন করে মাইক্রোসফ্ট অফিস চালু করে প্রতিটা বাটন একটা একটা করে পরিক্ষা করে সময় নিয়ে পরীক্ষা করে দেখে নিতে ভূলবেন না।

টার্চ প্যাড পরীক্ষা করা :

ল্যাপটপের টার্চপ্যাড ঠিক আছে কি-না ভালোভাবে হাত দিয়ে টাচ্ করে দেখে নেওয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ। যদি টাচ্ প্যাড ঠিক না থাকে তাহলে মাউসের পয়েন্টার বা টাচের পয়েন্টা ঠিক ভাবে কাজ করবে না। এজন্য টাচ্ প্যাড হাত দিয়ে ভালো ভাবে সম্পূর্ণ স্ক্রিন কাজ করছে কি-না দেখে নেওয়া ভালো।

ভিজিএ আউটপুট পরিক্ষা করা :

অনেক সময় দেখা যায় ল্যাপটপে ভিজিএ আউটপুট সংযোগ খারাপ বা লুজ কানেক্ট হয়ে থাকতে পারে। এজন্য খুব সর্তকতার সাথে ল্যাপটপের ডিসপ্লে এবং এক্সট্রানাল ভিজিএ আউটপুট পরীক্ষা করে নিতে হবে। যেমন- সম্ভব হলে অন্য মনিটর লাগিয়ে দেখতে পারেন। বা মনিটর কয়েক বার ভাজ এবং সাট করে দেখতে পারেন। যদি সমস্যা থাকে তাহলে বুঝতে পারবেন। ভূলেও মায়া করবেন না ধীরে ধীরে কয়েকবার ভাজ এবং সাট করে দেখুন।

চার্জিং এডপ্টার পরিক্ষা করা :

ল্যাপটপের চার্জং এডপ্টার বা চার্জার পরিক্ষা করে নিতে হবে। যেমন- দেখতে হবে চার্জার অরিজিন্যাল কি-না। আলাদ ভাবে পরে কেনা হয়েছে কি-না। বা আউটপুট ভোল্টেজ ঠিকমত দিতে পারছে কি-না। সঠিক অ্যাম্পিয়ার দিতে পারছে কি-না। লো ব্যাটারী অবস্থায় চার্জে দিয়ে ল্যাপটপ চলছে কি-না। যদি না চলে তাহলে বুঝতে হবে সমস্যা আছে।

চার্জ ও চার্জিং পরীক্ষা করা :

ল্যাপটপের চার্জ এবং চার্জিং জনিত সমস্যা আছে কি-না ভালো ভাবে জাচাই করে নিন। কারণ অনেক পুরাতন ল্যাপটপ এমন সমস্যা হয় যেটা আপনি ধরতেই পারবেন না প্রথম দিনে। তবে কয়েক দিন ব্যবহার করলে ধরতে পারবেন। যেমন- চার্জার কানেক্ট করলে 100% চার্জ না হয়ে 60% হয় অথবা 90% চার্জ হয়ে চার্জিং ইরর আসে এমন সমস্যা হতে পারে, আবার ব্যাটারি খারাপ থাকতেও পারে।

ব্যাটারী পরীক্ষা করা :

কতদিন আগে কেনা বা ল্যাপটপের সাথের ব্যাটারী কি-না এটা জেনে নেওয়া উচিৎ। ব্যাটারীর তথ্য ল্যাপটপের সিরিয়াল নম্বর মিলালে পেয়ে যাবেন। আর ব্যাটারী কতদিন হলো এটা বিক্রেতার কাছে জেনে নিবেন বিস্তারিত। যে, চার্জ হতে কত সময় লাগে আর একটানা কতক্ষণ চার্জ চলে খুটিনাটি সব কথা।

ওভার হিট হচ্ছে কি-না পরীক্ষা করা :

পুরাতন ল্যাপটপ ওভার হিট হচ্ছে কি-না সেই দিকে ভালো ভাবে খোয়াল করতে হবে। কারণ কিছুক্ষণ চলার পর যদি ল্যাপটপ ওভার হিট হয়ে থাকে তাহলে বুঝতে হবে ল্যাপটপে কোন সমস্যা আছে। এমতবস্থায় ভারি সফ্টওয়্যার চালু করে দেখতে হবে। কিছুক্ষণপর ল্যাপটপ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কি-না। যদি দেখেন ভারি সফ্ওয়ার যেমন- গেম, ভিডিও, গ্রাফিক্স চালু করলে ল্যাপটপ হ্যাংক করছে বা রিস্টার্ট নিচ্ছে বা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তাহলে সেটা নেওয়া যাবে না। তাই বলে মনে করেন না যে ল্যাপটপ হিট হয় না, মনে রাখবেন হিট যেন স্বাভাবিক থাকে।

ডিসপ্লে পরীক্ষা করা :  

পুরাতন ল্যাপটপ কেনার আগে অবশ্যই ল্যাপটপের ডিসপ্লে ভালো ভাবে পরিক্ষা নিতে হবে। মনে করুন ডিসপ্লেতে কোন ছোট ডট থাকতে পারে বা হালকা দাগ থাকতে পারে যাকে বলে ডেড পিক্জেল। যেটা একসময় বড় হয়ে ডিসপ্লে নষ্ট হয়ে যাবে। তাই ডিসপ্লেতে মাইক্রোসফ্ট এর সাদা পেজ চালু করে ডেড পিক্জেল আছে কি-না দেখে নিতে হবে।

মোভিং এঙ্গেল পরীক্ষা করা :

পুরাতন ল্যাপটপ এর মোভিং এঙ্গেল  ভালো ভাবে দেখেতে হবে। কারণ অনেক সময় ল্যাপটপ ভাজ করতে গিয়ে অগেই সাদা হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। আবার খুলতে গিয়ে সাদা ডিসপ্লে হয়ে চালু হয় এমন সমস্যা হলে বুঝতে হবে সমস্যা আছে।যেমন- রিবোন সমস্যা বা ডিসপ্লেতে কোন সমস্যা থাকতে পারে।

অপারেটিং সিস্টেম লাইসেন্স থাকলে বুঝে নেওয়া :

আপনি যে ল্যাপটপ কিনছেন তার আপারেটিং সিস্টেম প্রো না ফ্রি ক্রাক সেটা জেনে নিতে হবে। কারণ ল্যাপটপের আসল উইন্ডোজ আপারেটিং সিস্টেম এর দাম 10-12 হাজার টাকা। আর ক্রাক আপারেটিং সিস্টেম 40 টাকা দামের সিডি দিয়ে দেওয়া হয়। যদি ল্যাপটপে প্রিমিয়াম আপারেটিং সিস্টেম দেওয়া থাকে তাহলে তার লাইসেন্স কি বুঝে নিতে হবে।

প্রসেসর কি কোন জেনারেশন পরীক্ষা করা :

আপনি ল্যাপটপের পোর্পাটিজ দেখলে কম্পিউটার সম্পর্কে সকল ইনফরমেশন পেয়ে যাবেন। তারপরেও বলা যায় যে এগুলো সিস্টেম থেকে পরিবর্তন করে রাখা যায়। তাই সম্ভব হলে কোন সার্ভিসিং সেন্টারে নিয়ে গিয়ে সব খুলে দেখে নিতে পারেন। অথবা স্প্যাকি ছোট 4 এমবি একটা সফওয়্যার এর মাধ্যমে সব চেক করা যায়। স্প্যাকি ইনস্টল করার পর কনফিগারেশন দেখলে কম্পিউটার এর ভিতরের এ-টু-জেড তথ্য পেয়ে যাবেন। এছাড়াও অনলাইনে আরো অনেক ফ্রি টুলস্, ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো তে কম্পিউটার এর সব তথ্য দেখা যায়।

সার্ভিসিং সেন্টারে নিয়ে পরীক্ষা করা :

আপনার যদি সম্ভব হয় ল্যাপটপের মালিক সহকারে সার্ভিসিং সেন্টারে ল্যাপটপ নিয়ে একবার চেকআপ করে নিতে পারেন। আর যদি পরিচিত কোন ব্যক্তির ল্যাপটপ হয় তাহলে সে যদি বলে কোন সমস্যা থাকলে ফেরত নিবো তাহলে তো আর কিছু বলার নাই। বাড়িতে নিয়ে এসে উপরের সকল নিয়মে তার ল্যাপটপ টা পরিক্ষা করে নিতে পারেন। এতে আরো সহজে ছোট খাটো সকল সমস্যা খুঁজে বের করতে পারবেন।

ল্যাপটপের সকল সমস্যা সম্পর্কে জানুন

ফ্রি সকল মোবাইল সার্ভিসিং শিখুন

ফ্রিজের সার্ভিসিং এবং মেরামত শিখুন

Leave a Reply

DMCA.com Protection Status