হার্ডডিস্ক পার্টিশন করার পদ্ধতি

হার্ডডিস্ক পার্টিশন করার পদ্ধতি ও ফরম্যাট করার নিয়ম শিখুন

আজ আমরা জানবো হার্ডডিস্ক পার্টিশন করার পদ্ধতি ও হাডডিস্ক ফরম্যাট দেওয়ার নিয়ম। কারণ হার্ডডিস্কে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম দেওয়ার জন্য এবং আলাদা আলাদা ভাবে বিভিন্ন ড্রাইভ তৈরী করা জন্য হার্ডডিস্ক ফরমেটিং ও পার্টিশন করার প্রয়োজন হয়। কম্পিউটার তৈরী করার সময় প্রতিটা হার্ডডিস্কের নতন নতুন ড্রাইভ তৈরীর পর তা ফরমেট করতে হয় তাছাড়া সে ড্রাইভ ওপেন হবে না। নতুন হার্ডডিস্কের জন্য প্রথমে আমরা কয়টা ড্রাইভ তৈরী করবো তা আগে আমাদের ঠিক করতে হবে। এরপর সে অনুযায়ী তা ভাগ করতে হবে। হার্ডডিস্কের পার্টিশন করা হয় মেগাবাইট হিসেবে।

মোগাবাইট হিসাবের সূত্র হলো:

  • 1024 কিলোবাইট = 1 মেগাবাইট (MB)
  • *1024 মেগাবাইট  =  1 গিগাবাইট (GB)
  • 1024 গিগাবাইট   = 1 টেরাবাইট (TB)

হার্ডডিস্ক মাপার একক কি:

মনে রাখতে হবে হার্ডডিস্ক মাপার একক গিগাবাইট। গিগাবাইট হিসাবে হার্ডডিস্ক এর সকল মাপ হিসাব হয়ে থাকে। হার্ডডিস্ক পার্টিশন করা বা ফরমেট করার জন্য তৈমন কিছু জানার প্রয়োজন হয় না। আপনি শুধু উপরের সূত্র হিসাবে ভাগ করে পার্টিশন তৈরী করে ফরম্যট করে নিবেন তাহলে হার্ডডিস্ক পার্টিশন হয়ে যাবে।

হার্ডডিস্ক ভাগ করার নিয়ম:

যে হার্ডডিস্কের পার্টিশন তৈরী করা হবে তার জন্য আমাদের প্রথমে জানতে হবে হার্ডডিস্কটি কত জিবি, যেমন- একটি 80 GB হার্ডডিস্কর যদি আপনি চারটি ড্রাইভ করতে চান তাহলে তার হিসাব করতে হবে 80 GB X 1028 (MB) = 81920 (MB) কে 4 দিয়ে ভাগ করলে = 20480 (MB) হবে। অর্থাৎ প্রত্যাকটি 80 GB হার্ডডিস্কর পার্টিশন 20480 মেগাবাইট করে দিলে আপনি চারটি ড্রাইভ পাবেন।

হার্ডডিস্ক পার্টিশন করার নিয়ম :

XP সেটআপ করার মত আপনি প্রথমে একটি বুটেবল উইন্ডোজ সিডি ডিভিডি রাইটারে দিয়ে কম্পিউটার রির্স্টাট করবেন। তারপর অন হওয়ার সময় Press any key to boot from CD…. মেসেজ দিলে আপনি কীবোর্ড থেকে উইন্ডোজ দেওয়ার মত একটা বাটন প্রেস করবেন। তারপর উইন্ডোজ সেট-আপ ফাইল লোডিং হবে।

সেটআপ লোডিং হওয়ার পর কম্পিউটার রিস্টার্ট নিয়ে.. ওয়েলকাম টু সেট-আপ বক্স আসলে ইন্টার প্রেস করে কন্টিনিউ করতে হবে। তার F8 প্রেস করে ইউজার লাইসেন্স এগ্রিমেন্ট করতে হবে। তারপর R দিয়ে Repair এবং ESC দিয়ে Don’t Repair করতে হবে। কখোনো রিপেয়ার করা যাবে না।

হার্ডডিস্ক পার্টিশন দেখার নিয়ম :

ESC করলে আপনার হার্ডডিস্কের পার্টিশন গুলো দেখা যাবে। আপনার হার্ডডিস্কে পার্টিশন করা নাথাকে Unconditioned Space নাম দেখাবে। আপনি যদি পার্টিশন তৈরী করতে চান তাহলে কীবোর্ড থেকে C প্রেস করুন। C প্রেস করার পর হার্ডডিস্কের পুরো জায়গা মেগাবাইটে দেখাবে।

আপনি সেখান থেকে কত মোগাবাইট প্রথম ড্রাইভের জন্য অর্থাৎ C ড্রাইভের জন্য কত মেগাবাইট নিতে চান তা উল্লেখ করে দিন তারপর ইন্টার প্রেস করুন। একটি নতুন ড্রাইভ তৈরী হয়ে যাবে। এভাবে আপনি আপনার প্রয়োজন মত আলাদা আলাদা ড্রাইভ তৈরী করে নিতে পারেন। আপনি যখন নতুন ড্রাইভ তৈরী করবেন তখনি নিচে Unconditioned Space নামে একটি অবশিষ্ট বাকি জায়গা বা ড্রাইভ দেখাবে।

হাডডিস্ক ফরম্যাট দেওয়ার নিয়ম :

আমরা হার্ডডিস্কের বিভিন্ন সমস্যার কারণে হার্ডডিস্ক ফরমেট করি পার্টিশন ভেঙ্গে ফেলি হাডডিস্ক ফরম্যাট দেওয়ার নিয়ম অনুযায়ী। তারপর আবার নতুন পার্টিশন তৈরী করি। কারণ অনেক সময় পার্টিশন ভেঙ্গে নতুন পার্টিশন তৈরী করলে হার্ডডিস্ক সমস্যা সেরে যায়। আপনি যদি মনে করেন আপনার হার্ডডিস্কের পার্টিশন ভেঙ্গে ফেলবেন তাহলে একই ভাবে পার্টিশনটি সিলেক্ট করে কীবোর্ড থেকে D প্রেস করে L প্রেস করতে হবে তাহলে পার্টিশন ভেঙ্গে যাবে। এভাবে প্রতিটা পার্টিশন ভেঙ্গে একটা পার্টিশন করা যায়। আবার উপরের নিয়মে নতুন পাটিশন তৈরী করা যায়।

হাডডিস্ক এর ব্যাকআপ সর্তকতা :

মনে রাখবেন পার্টিশন ভাঙ্গলে আপনার হার্ডডিস্কে কোন ডাটা থাকবে না। সব ডাটা মিশে যাবে, তাই হার্ডডিস্কের পার্টিশন বা ফরমেটিং করার আগে অবশ্যই হার্ডডিস্কের ব্যাকআপ নিতে ভূলবেন না। যদি আপনার প্রয়োজনী ডাটা থাকে। হার্ডডিস্কে পার্টিশন ভাঙ্গাতে, তৈরী করতে, ফরমেট করতে সব সময় কম্পিউটারের C, D, L কী ব্যবহার করতে হয়। পার্টিশন তৈরী বা ভাঙ্গার সময় ESC এবং Continue করা যাবে না। এজন্য আপনি প্রতিবার নিচের মেনু দেখ দেখে কাজ করলেই সব কিছু পরিস্কার বুঝতে পারবেন।  উইন্ডোজ XP সেট-আপ দেওয়ার নিয়ম জানতে এখানে ক্লিক করুন।

হিন্দিতে হার্ডডিস্ক পার্টিশন করার

হার্ডডিস্ক পার্টিশন বা ফরমেটিং সম্পর্কে আরো কিছু জানার থাকলে আমাকে কমেন্ট করুন। আর আমার ইউটিউব চ্যানেলের সাথে এব ফেইসবুক পেইজ লাইক দিয়ে গুরুপে যুক্ত থাকুন। তাহলে নতুন নতুন আপডেটেড ক্যারিয়ার তথ্য পেতে থাকবেন।

কিবোর্ড শর্টকাট কমান্ড শিখুন :

Leave a Reply

DMCA.com Protection Status
error: Content is protected !!