মোবাইল দিয়ে টাকা আয় | মোবাইলে টাকা আয়ের সহজ উপায়

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার কথা চিন্তা করলে মাথায় অনেক বিষয় ভেসে আসে। কোনটা সঠিক কোনটা বেঠিক তা বুঝে ওঠা যায় না। এজন্য আমরা অনলাইনে দেওয়া বিভিন্ন মোবাইল এপস্ ‍ডাউনলোড করে সেটআপ করে মোবাইলে দিয়ে টাকা আয়ের সহজ উপায় খুঁজতে থাকি। আসলেই কি এভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করা কতটা সম্ভব? টাকা পাওয়া কতটা যৌক্তিক, কিভাবে পাবেন ভেবেছেন? আপনি যদি গুগলে সার্চ করেন তাহলে অনেক তথ্য বিভিন্ন পরামর্শ পাবেন। কিন্তু দেখবেন বেশির ভাগ পরামর্শ কাজে আসবে না।

তাই আমি আপনাদের জন্য মোবাইল দিয়ে টাকা আয়ের সহজ কিছু উপায় নিয়ে এসেছি। যারা মধ্যে হয়ত আপনাদের সবগুলো কাজে লাগবে না। তবে আমি মোবাইলে আয়ের প্রতিটা বিষয়ের পাশে আলাদা ভাবে উল্লেখ করেছি, কোন কাজ কতটা সহজ আয়ের কতটা সম্ভাবনা রয়েছে। আজ প্রতিটা বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে বলে দেওয়ার চেষ্টা করব। বর্তমানের যারা চিন্তা করছেন অনলাইনে আয় করবেন তারা মনোযোগের সাথে প্রতিটা পয়েন্ট বিস্তারিত ভাবে পড়বেন হয়ত কোন একটা কাজ আপনার আয়ের উৎস হতে পারে। তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার মত কাজ গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেনি।

সূচীপত্র

মোবাইল দিয়ে টাকা আয়ের সহজ উপায় :

মোবাইল দিয়ে আয় করার জন্য সবচেয়ে ভালো এবং কার্যকরি উপায় হলো ইউটিউব, ব্লগ এবং ফেইসবুকে কাজ করে আয়। ইউাটিউব হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং ওয়েব সাইট। আর ব্লগার হলো গুগলের দেওয়া ফ্রি জনপ্রিয় কনটেন্ট পাবলিসিং ব্লগ ওয়েব সাইট। ইউটিউব এবং ব্লগে প্রতিদিন লক্ষ্য লক্ষ্য ভিডিও এবং কনটেন্ট পাবলিশ করা হয়। যারা পাবলিশ করে তাদের একটাই উদ্দেশ্য টাকা আয় করা। আপনিও সেখানে ভিডিও এবং কনটেন্ট পাবলিশার হয়ে কাজ শুরু করে আয় করতে পারেন। অনলাইনে আয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় গুলোর মধ্যে ইউটিউব এবং ব্লগিং অন্যতম। ইউটিউব এবং ব্লগিং এ যেকেউ ইচ্ছে করলেই কাজ শুরু করতে পারে।

ইউটিউব এবং ব্লগিং করা জন্য সাধারণ একটি স্মার্টফোন হলেই পরিপূর্ণ ভাবে কাজ করা সম্ভব। ইউটিউব এবং ব্লগে কাজ করতে হলে  প্রথমে আপনাকে একটা জিমেইল একাউন্ট করতে হবে। তারপর ইউটিউব এবং ব্লগারে গিয়ে আপনার পছন্দ মত নিশ নিয়ে (নিশ হলো যে বিষয় নিয়ে কাজ করবেন) তার নাম নির্বাচন করে ইউটিউব এবং ব্লগ তৈরী করতে হবে সেই জিমেইল একাউন্ট ব্যবহার করে। আপনি ইউটিউব এবং ব্লগ ‍দুইটাতে একসাথে কাজ করতে পারবেন। ইউটিউব এবং ব্লগিং একসাথে করলে অনেক তাড়াতাড়ি এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।

কনটেন্ট পাবলিসিং করা :

তারপর আপনাকে যেকোন একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ভিডিও তৈরী করা শুরু করতে হবে আর নিয়মিত পাবলিশ করতে হবে এবং সাথে সাথে ব্লগারে কিছু কনটেন্ট এর সাথে ভিডিও গুলো ব্লগে শেয়ার করতে থাকতে হবে। এতে আপনার দুই দিক দিয়ে একই কাজ হলো কিন্তু আলাদা আলাদ কাজ হলো। অবশ্যই মনে রাখবেন ইউটিউব এবং ব্লগারে কাজ করার জন্য এমন ভিডিও কনটেন্ট তৈরী করবেন যেটা সবসময় সবার কাজে লাগবে। এমন ভিডিও-কনটেন্ট তৈরী করতে যাবেন না যেটা সাময়িক কিছু দিনের জন্য কাজে লাগবে পরে হয়তা আর কারো কাজে লাগবেনা।

আপনি ইউটিউবে ফানি ভিডিও, টেকনোলজি বিষয়ক টিপস্, বিভিন্ন প্রডাক্ট রিভিউ, কম্পিউটার শিক্ষা নতুন নতুন গ্যাজেট ইত্যাদি বিষয় গুলো নির্বাচন করে ভিডিও তৈরী করতে পারেন। সাথে সেই টপিকের জন্য কিছু আর্টিকেল লিখে ব্লগারে পাবলিশ করতে পারেন। নিচে আমি ইউটিউব, ব্লগ, ফেইসবুক এবং বিভিন্ন এপস্ ব্যবহার করে কিভাবে মোবাইলে টাকা আয় করা যায় সে বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করেছি। যাদের মোবাইল দিয়ে নিশ্চিত আয় করার ইচ্ছা আছে তারা বিষয় গুলো মনোযোগের সাথে পড়বেন তাহলে প্রতিটা বিষয়ের সব কিছু আপনার কাছে পরিস্কার হয়ে যাবে।

ইউটিউব থেকে মোবাইলে টাকা আয় :

ইউটিউব হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং গুগলের ওয়েবসাইট। বর্তমানে মোবাইল দিয়ে টাকা আয়ের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো ইউটিউবে কাজ করা। ইউটিউবে আপনি ভিডিও শেয়ারিং করে আয় শুরু করতে পারেন। মনে রাখবেন প্রথমে আয় হবে না বললেই চলে, ধর্য ধরে লেগে থাকতে হবে এবং নিয়মিত ভিডিও পাবলিশ করতে হবে। এজন্য আপনার কোন অভিজ্ঞতা লাগবেনা তবে কয়েক দিন একটু প্যাকটিস করে ইউটিউবে কাজ শুরু করতে পারেন। তার জন্য আপনার একটা এন্ড্রয়েড স্মার্ট মোবাইল লাগবে সাথে ইন্টারনেট মেগাবাইট তাহলে কাজ শুরু করতে পারবেন।

আপনার যদি কোন ভিডিও এডিট করার প্রয়োজন হয় বা মোবাইলের স্ক্রিন রেকর্ড করার প্রয়োজন হয় এই কাজ গুলো সব মোবাইল দিয়ে করে নিতে পারেন। এসব কাজের জন্য মোবাইলে বিভিন্ন এপস্ পাওয়া যায় সেগুলো ব্যবহার শিখুন। মনে রাখবেন ইউটিউবে কাজ করতে শুরু করলে- ইউটিউব আপনার সবচেয়ে বড় সহযোগী হিসাবে থাকবে। কোন সমস্যা, কোন প্রশ্ন, ইউটিউবে সার্চ করুন সাথে সাথে উওর পেয়ে যাবেন। আপনি যদি যেকোন একটা ইউটিউব চ্যানেল চালু করতে পারেন তাহলে বিভিন্ন ভাবে ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন। কি কি ভাবে ইউটিউব থেকে আয় করা যায় নিচে পয়েন্ট আকারে বলা হয়েছে।

ইউটিউব এডসেন্স থেকে মোবাইলে টাকা আয় :  

আমরা দেশী মানুষ প্রথমে ইউটিউব চ্যানেল করার পর সবার আগে গুগল এডসেন্স এর কথা চিন্তুা করি। কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য দেশের মানুষ ইউটিউবকে ব্যবহার করে মাকের্টিং করার জন্য পণ্য প্রোমোশন করার জন্য। যাইহোক ইউটিউব থেকে প্রথমত এডসেন্স থেকে টাকা আয় করা যায় যার আর্নিং শুরু হয় 0 থেকে। বাংলাদেশের অনেক ইউটিউব চ্যানেল আছে যারা মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে। যেহেতু আপনি ইউটিউব এর সকল কাজ মোবাইলে করতে পারবেন সেহেতু আপনার জন্য মোবাইল দিয়ে আয়ের প্রথম সোর্স ইউটিউব কে রেখেছি। ইউটিউবে আয় একটা স্থায়ী আয়ের রাস্তা, একবার আর্নিং শুরু হলে আর কোন দিন আর্নিং বন্ধহবেনা। আপনার দেওয়া ভিডিও যত ভিউ হবে তত বেশি আর্নিং বাড়তে থাকবে।

ইউটিউবে অ্যাফিলিয়েট করে মোবাইলে টাকা আয় :

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করতে ইউটিউবে সব থেকে ভালো উপায় হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করা। যা বর্তমানে সবাই করছে বলা যায় এখন সব দিক দিয়ে অ্যাফিলিয়েট এর ট্রেন চলছে যা দিনে দিনে আরে বাড়বে। অ্যাফিলিয়েট হলো অন্যের কোন পণ্য ইউটিউবের মাধ্যমে বিক্রয় করে দিয়ে সেই কোম্পানি থেকে কমিশন পাওয়া বা নেওয়া কে বোঝায়। অ্যাফিলিয়েট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

ইউটিউবে সিপিএ করে মোবাইলে টাকা আয় :

ইউটিউব থেকে আপনি সিপিএ লিংক প্রোমোট করে মোবাইলে টাকা আয় করতে পারেন এজন্য আপনি সিপিএ লিংক রিলেটেড ইউটিউব ভিডিও তৈরী করুন এবং সিপিএ সুযোগ দেয় এমন সাইট থেকে একাউন্ট করে রেফারেল লিংক ডেসক্রিপশনে দিয়ে আপনার ভিডিওর মধ্যে বলে দিন আরো জানতে নিচের দেওয়া লিংক এ ক্লিক করে দেখতে পারেন। ভিউয়ার যখনই লিংকে ক্লিক দিয়ে যাবে তখনি আপনার একাউন্টে একটা নির্দিষ্ট অ্যামাউন্ট টাকা জমা হবে যাকে বলে সিপিএ কমিশন।

ইউটিউব চ্যানেল তৈরী করুন ভিডিও দেখে

ব্লগিং করে মোবাইলে টাকা আয় :

মোবাইল দিয়ে ফ্রিতে ব্লগারে একটা ব্লগ করে বিভিন্ন কনটেন্ট, অডিও-ভিডি, আর্টিকেল, ছবি পোস্ট করে সেখান থেকে ভালো মানের একটা স্থায়ী আয় করতে পারেন। আপনি যদি একটা ব্লগ সাইট গুগলের সার্চ উপযোগী করে তৈরী করতে পারেন তাহলে আপনার অনলাইনে আয়ের দরজা খুলে যাবে। ব্লগে আপনাকে নিয়মিত বিভিন্ন পোস্ট করে ভিজিটার আনতে হবে। তাহলে আপনার আয় করা নিয়ে আর চিন্তা করতে হবেনা। যদি ফ্রি অথবা ডোমেন হোস্টিং কিনে ব্লগ করতে পারেন তাহলে সেই ব্লগ থেকে আপনি কয়েক ভাবে ইনকাম করতে পারেন। যার মধ্যে সেরা তিনটা আয়ের উপায় আপনাদের বলবো। তাহলে চলুন সেরা তিনটি আয়ের উপায় গুলো জেনেনি।

ব্লগ এডসেন্স থেকে মোবাইলে টাকা আয় :

আপনি একটা ব্লগ রানিং করতে পারেন তাহলে সেখান থেকে গুগলের এডসেন্স নিয়ে অনেক টাকা আয় আয় করা সম্ভব। এজন্য আপনার ব্লগের এসইও করতে হবে এবং অর্গানিক ভিজিটর নিয়ে আসতে হবে। তবে আপনার ব্লগের পরিচিতি বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াতে ব্লগের লিংক কনটেন্ট শেয়ার পেইজ বুস্ট করতে পারেন যাতে আপনার ভিজিটর বাড়ে। মনে রাখবেন যতবেশি ভিজিটর হবে তত আর্নিং বেশি হবে। মোটকথা যত ভিজিটর তত আর্নিং।

মোবাইলে নিজ ব্যবসা শুরু করে আয় :

ব্লগের মাধ্যমে বিজনেস করে নিজের পণ্য বিক্রয় করা যায়। আপনি যদি নিশ নিয়ে ব্লগ করে তাহলে সেই নিস রিলেটেড পণ্য অনলাইনে বিক্রয় করে নিজের ব্যবসার চালু করতে পারেন এতে নিজের ব্যবসা চালু হবে সাথে আয়ের অনেক রাস্তা খুলো যাবে। যাকে বলে মোবাইলে বিজনেস আশা করি বুঝেতে পেরেছেন বুঝতে না পারলে নিচে কমেন্ট করুন।

ব্লগে অ্যাফিলিয়েট করে মোবাইলে টাকা আয় :

আপনার ব্লগের ভিজিটর বেশি ভিজিটর হলে আপনি অ্যাফিলিয়েট করে ভালো আর্নিং করতে পারেন। ব্লগে এবং ইউটিউবে তখনি ভিজিটার বাড়বে যখন আপনার কনটেন্ট ভালো হবে। অ্যাফিলিয়েট করার জন্য আপনাকে কোন ওয়েবসাইটে অ্যাফিলিয়েট অ্যাকাউন্ট করে সেখান থেকে নিশ রিলেটেড প্রোডাক্ট রেফারেল লিংক নিয়ে আপনার ব্লগে বসাতে হবে। তবে মনে রাখবেন সবসময় আপনার ব্লগের নিস রিলেটেড প্রডাক্ট নিয়ে কাজ করবেন। অন্য নিশ হলে ভিজিটর হয়ত আপনার প্রোমোশন লিংক এ ক্লিক করতে নাও পারে। যেমন- আপনার নিশ যদি হয় ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্ট রিভিউ- তাহলে  আপনি ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্ট অ্যাফিলিয়েট করতে পারবেন। কারণ যারা আপনার ব্লগ পড়তে আসবে তারা তো ইলেকট্রনিক্স বিষয় পড়তে আসবে। এসে যদি আপনার রিভিউ কনটেন্ট ভালো লাগে তাহলে আপনার দেওয়া লিংক এ ক্লিক দিয়ে পণ্য যে দিনই হোক কিনবে।

ব্লগে সিপিএ করে মোবাইলে টাকা আয় :

সিপি এর অর্থ ক্রস পার অ্যাকশন। মানে প্রতি ক্লিকে সে প্রেডাক্ট কিনুক আর নাই কিনুক একটা কমিশন পাবে এটাই হলো সিপিএ মার্কেটিং। তাবে এর বিভিন্ন ক্যাটাগরি রয়েছে। মনে রাখবেন সমসময় ভালো কাজ করবেন। সিসিএতে এমন কাজ আছে যারা খারাপ লিংক শেয়ার করে। যেমন- পর্ণ লিংক যেটা শেয়ার করে, যেটা শেয়ার করলে খারাপ বলে ক্লিক করে দেখবে আর আপনার আর্নিং হবে। আমি দেখেছি বেশির ভাগ সিপিএ প্রতিষ্ঠানে ভিপিএন ব্যবহার করে সিপিএ খারাপ লিংক প্রোমোট করে। আপনাকে এজন্য বললাম যে খারাপ লিংক শেয়ার করবেন না। আপনার ব্লগে যদি এডসেন্স থাকে আর আপনি যদি খারাপ লিংক এর সিপিএ করেন এডসেন্স সাসপেন্ড হবে। সুতরাং সাবধান! অনলাইনে বিভিন্ন সিপিএ সাইট পাবেন তার মধ্যে থেকে ভালো শেয়ারিং লিংক নিয়ে কাজ করতে পারেন।

ভিডিও দেখে ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরী করুন

ফেসবুক থেকে টাকা আয় :

আপনি ইচ্ছে করলে বিভিন্ন ভাবে ফেসবুক থেকে টাকা আয়পারেন। ফেসবুকে টাকা আয়ের অনেক উপায় রয়েছে । তার মধ্যে অন্যতম হলো ফেসবুক পেইজ এবং ফেসবুক গ্রুপ। আপনার গুরুপ এবং পেইজকে জনপ্রিয় করে সেখান থেকে টাকা আয়ের রাস্তা তৈরী করতে পারেন। এই কাজটি আপনি ফেইসবুক চালাতে চালাতে করতে পারেন। আপনি যদি প্রতিদিন ফেইসবুকে 3-4 ঘন্টা সময় ব্যয় করেন তাহলে এই কাজটি আপনার জন্য একদম পারফেক্ট।

এজন্য প্রথমে আপনাকে একটি ফেসবুক গ্রুপ এবং একটি ফেসবুক পেইজ তৈরী করতে হবে। তারপর আপনাকে সেই পেইজ এবং গ্রুপকে আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে অনেক জনপ্রিয় করে তুলতে হবে। সাথে সাথে বিভিন্ন ট্রিক করে পেইজ লাইকের সংখ্যা বাড়াতে হবে এবং গুরুপের সদস্য বাড়াতে হবে তাহলে এক সময় আর্নিং করতে পারবেন। পেইজ এবং গুরুপ দিয়ে কিভাবে আয় করবেন তা নিচে দেওয়া হলো।

ফেইসবুক পেইজ থেকে টাকা আয় :

আপনার যদি নিজের ব্যবসা, ব্লগ, ইউটিউব থাকে তাহলে ফেইসবুক পেইজ তৈরী করে সেখান থেকে বিভিন্ন ভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করে পারেন। যেমন- নিজের বিজনেস প্রচার করে ব্যবসার করতে পারেন। সেই পেইজের মাধ্যমে ব্লগ, ইউটিউবে ভিজিটর বাড়তে পারেন এবং আপনার ফেইসবুক পেইজে যদি মনিটাইজ নিতে পারেন তাহলে বিজনেস, ভিজিটর এবং অ্যাডসেন্স যেটা বর্তমানে ফেইসবুক দিচ্ছে তার মাধ্যেমে অনেক টাকা আয় করতে পারেন। একই পেইজে যদি আপনি চান তাহলে আপনার ব্লগের কনটেন্ট ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল এর মধ্যমে পেইজে কানেক্ট করতে পারবেন। ফলে পেইজের অনেক র‌্যাকিং বেড়ে যাবে এবং আপনার ইউটিউব ব্লগে ভিজিটর বেড়ে যাবে। যত বেশি ভিজিটর ততো বেশি আর্নিং সম্ভাবনা। আবার ইউটিউবের একই ভিডিও আপনি আপনার পেইজে প্রকাশ করতে পারেন। ইউটিউবের মত ফেসবুকেও ভিডিও তৈরি করেও আয় করা যায়।

ভিডিও দেখে ফেসবুক পেইজ তৈরী করুন

ফেইসবুক গুরুপ থেকে টাকা আয় :

মোবাইলে ফেইসবুক গুরুপ তৈরী করে মানুষ কি পরিমাণ যে টাকা আয় করছে আপনি যদি না জেনে থাকেন তাহলে গুগলে বা ইউটিউবে সার্চ করুন। দেখবেন ফেইসবুক ব্যবহার কারী গুরুপ কি করে কত টাকা মাসে আয় করছে। আপনি যদি এমন একটা গুরুপ তৈরী করতে পারেন তাহলে মোবাইল থেকে টাকা আয় করা আপনার কাছে কোন ব্যাপার না। গুরুপ থেকে যে যে ভাবে টাকা আয় করা যায় তার মধ্যে কয়েকটা হলো- মার্কেটিং, ভিজিটর সেল, পেইজ লাইক সেল ইত্যাদি অনেক উপায় রয়েছে। ফেইসবুকে অনেক গুরুপ দেখবেন যেখানে মিলিয়ন সদস্য রয়েছে। মনে রাখবেন আপনার যদি এমন একটা ফেইসবুক গুরুপ থাকে তাহলে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করা আপনার হাতের খেলা মাত্র। এজন্য আগে একটা গুরুপ তৈরী করুন তারপর আমাকে বলবেন কিভাবে আয় করবো।

যাইহোক আপনার যখন একটা ফেইসবুক গুরুপ থাকবে তখন হয়ত আপনাকে কারো কাছে জানার প্রয়োজন পড়বে না যে, কিভাবে গুরুপের মাধ্যমে আয় করা যায়। আপনি কি ফেসবুকে একটা বিষয় খেয়াল করেছেন যখন কোন গুরুপে পোস্ট সহ লিংক করে থাকেন তখন তা এপুরুভ করা হয় না। আপনি যদি সেই গুরুপের এডমিনকে টাকা দেন তখন সে আপনাকে লিংক শেয়ার করতে দিবে। আপনার ওয়েব সাইটের ভিজিটার দরকার হলে তাকে টাকা দিয়ে পোস্ট করলে বা সেই গুরুপের এডমিন আপনার সাইটে ভিজিটর দিয়ে দিবে। সাধারণ কমন সেন্স হলো মিলিয়ন লোকের মধ্যে একটা বিষয় শেয়ার করলে কত লোক বিষয়টা দেখবে আইডিয়া করলেই বুঝতে পারবেন।

ভিডিও দেখে ফেসবুক গুরুপ তৈরী করুন

সিপিএ লিংক শেয়ার করে আয় :

CPA অর্থ- Cros par Action সিপিএ হলো অ্যাফিলিয়েট এর একটা শাখা সিপিএ করার জন্য অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে সেখানে সাইন আপ করে সিপিএ লিংক মোবাইলের মাধ্যমে প্রোমোট করে আয় করা যায়। মোবাইলে সিপিএ করা তেমন কোন কঠিন কাজ নয়। সিপিএ করার মূল কাজ হলো লিংক শেয়ার করা বা আপনার শেয়ার কৃত লিংক এ ক্লিক করানো। অ্যাফিলিয়েটে হলো লিংকএ ক্লিক দিয়ে যদি কেউ অনলাইন সেই পণ্য ৯০ দিনের মধ্যে ক্রয় করে তাহলে সে কমিশন পাবে। কিন্তু সিপিএতে তেমন না, লিংক এ ক্লিক করা মাত্রই কমিশন পাবে, সে সেই পণ্য ক্রয় করুক বা না করুন। সিপিএ কিভাবে করতে হয় ইউটিউবে অনেক ভিডিও আছে তা দেখে বিস্তারিত জানতে পারেন। আপনার ব্লগ, ইউটিউব, পেইজ, গুরুপে সিপিএ করতে পারেন এজন্য আপনাকে বিভিন্ন টেকনিক অবলম্বন করতে হবে।

বিভিন্ন এপস্ দিয়ে মোবাইল থেকে আয় :

মোবাইলে কাজ করে আয় করার জন্য গুগল প্লেস্টোরে অনেক এপস্ পাবেন যে এপস্ গুলোর কাজ বিভিন্ন হতে পারে। যেগুলোর মধ্যে কোনটা ক্যাপচা, কোনটা ভিডিও দেখা, কোনটা এডস্ ক্লিক করে সময় ব্যয় করার মত হাজারো কাজ। প্রতিটা এপস্ এ কাজের বিবরণ দেওয়া আছে দেখবেন, তাহলো বুঝতে পারবেনঅ তারপরেও আমি আপনাদের কিছু এপস্ রিকুমেন্ট করবো যেগুলো তে কাজ করে মোবাইলে আয়ের আশা করা যায়। যদিও এপস্ গুলো কতটা কার্যকর আপনি নিজে ব্যবহার করলে বুঝতে পারবেন। মনে রাখবেন কোন কাজ সহজ নয় ধর্য ধরে কাজ করতে হবে তাহলে আয় করা সম্ভব হতে পারে।

মোবাইলে টাকা আয়ের সেরা এপস্ লিস্ট 1

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

মোবাইলে টাকা আয়ের এপস্ :

টাকা ইনকামের জন্য অনলাইনে বিভিন্ন এপস্ রয়েছে তার মধ্যে বেশির ভাগ অ্যাপস্ অকার্যকর কাজে আসেনা। কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যা হয়ে থাকে। এজন্য আপনি এসকল এপস্ গুলো আপনার মোবাইলে সেট-আপ করে দেখতে পারেন নিচের লিংকে ক্লিক করে অ্যাপস্ গুলো ডাউনলোড করতে পারেন। এখানে দেখলে অনেক অ্যাপস্ পাবেন যেগুলো অকর্যকর অ্যাপস্। এজন্য আমিও আপনাদের সঠিকভাবে প্রতিটা অ্যাপস্ সম্পর্কে গ্যারেন্টি দিতে পারবো না। তবে প্রতিটা পয়েন্টে পড়লে কোন অ্যাপস্ গুলো বেশি কার্যকর তা বুঝতে পারবেন।

মোবাইলে টাকা আয়ের সেরা এপস্ লিস্ট 2

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

মোবাইলে টাকা আয়ের সেরা 5টি এপস্ :

মোবাইলে আয়ের জন্য গুগলে প্লেস্টোরে অনেক এপস্ পাবেন যেগুলো বেশির ভাগ বেকার এপস্। এজন্য বাছায় করে কয়েকটা এপস্ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি যেগুলোতে সবাই কাজ করে এবং কাজ করা অনেক সহজ। বাস্তবে এগুলোর অনেক চাহিদা রয়েছে সেটা হোক মোবাইল অখবা কম্পিউটারে ব্যবহার করার জন্য।

ব্লগার এপস্ থেকে টাকা আয় :

গুগল ব্লগারের ব্লগের জন্য একটা এপস্ তৈরী করেছে যে এপস্ টা ডাউনলোড করে আপনার মোবাইলে সেটআপ করে সেখানে যদি ব্লগিং লিখা-লিখি করেন আপনার মোধার বিভিন্ন বিষয়ে  তাহলে সেখান থেকে গুগলের এডসেন্স দিয়ে টাকা আয় করা সম্ভব। এজন্য আপনি এপস্ টি ডাউনলোড করে আপনার মোবাইলে সেটআপ করে জিমেইল দিয়ে লগিন করে একই বিষয়ের বিভিন্ন টপিক নিয়ে লিখা-লিখি করতে পারেন। এপস্ দিয়ে মোবাইলে আয়ের এটা একটা ভালো উপায়। এভাবে আপনি ব্লগিং করে সারাজীবন আয় করতে পারেন। একবার ব্লগিং করে বিভিন্ন ভাবে আয় করতে পারেন। উপরে যেভাবে বলেছি ঠিক সেই ভাবে কাজ করুন। এই এপস্ টাতে সেইম ব্লগারের মত ব্লগ তৈরী করা যায়।

ইউটিউব এপস্ থেকে টাকা আয় :

উপরে যেভাবে ইউটিউব ভিডিও আপলোড করে আর্নিং করতে পারেন ঠিক তার থেকেও সহজ ভাবে অ্যাপের মাধ্যমে মোবাইলে ভিডিও আপলোড করে বিভিন্ন ভাবে এডসেন্স, অ্যাফিলিয়েট, থেকে আয় করতে পারেন। কম্পিউটার ব্রাউজারে ইউটিউব করে যেভাবে আয় করা যায় আপনি চাইলে মোবাইলে অ্যাপ ব্যবহার করেও একই ভাবে ইউটিউবে কাজ করতে পারেন। এপস্ এর মাধ্যমে কাজ করা অনেক সহজ একটা বিষয়। হঠাৎ মনে করেন কোন একটা বিষয় আপনার ভালো লাগলো তাহলে তা আপনার মোবাইলে স্যুট করে সাথে সাথে ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন।

ফ্রিলান্সার এপস্ থেকে টাকা আয় :

প্লেস্টের থেকে ফ্রিলান্সার অ্যাপ ব্যবহার করে আপনি অনলাইনে বিভিন্ন জব করতে পারেন। আপনি ফ্রিলান্সার অ্যাপ ডাউনলোড করে আপনার মোবাইলে ইনস্টল করার পর সেখানে একাউন্ট করে পরিপূর্ণ তথ্য দিয়ে অনলাইনে কাজ শুরু করতে পারেন। এজন্য আপনাকে যেকোন একটা কাজ ভালোমত জানতে হবে এবং প্রোফাইল করার সময় সেই কাজের বিবরণ অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে রাখতে হবে। ফ্রিলান্সারে যখন কেউ সেই কাজ পোস্ট করবে তখন আপনার মোবাইলে নোটিফিকেশন আসবে। তারপর আপনি সেই কাজের রেট ধরে কাজটা নিয়ে মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইনে কাজ করতে পারেন। আপনি যদি ফ্রিলান্সার অ্যাপ ব্যবহার করে নিয়মিত ভালো ভাবে কাজ করতে পারেন তাহলে যাদের কাজ করবেন তারা আপনাকে নিয়মিত কাজ দিবে এবং আপনার প্রোফাইল একাউন্টে স্টার রিভিউ দিবে ফলে আপনার অনলাইন মার্কেটে দাম অনেক বেড়ে যাবে এবং অনেক কাজ পাবেন।

ফাইভার এপস্ মোবাইলে টাকা আয় :

ফাইভারও একটা অনলাইন মার্কেট প্লেস সেখানেও আপনি একাউন্ট করে অনলাইনে কাজ করতে পারেন এজন্য আপনাকে ফাইভার এপস্ টা ডাউনলোড করে মোবাইলে সেটআপ করে একটা সুন্দর প্রোফাইল একাউন্ট তৈরী করতে হবে। যেখানে আপনার কাজের দক্ষতা অভিজ্ঞতা পোর্টফোলিও সব থাকবে। যা দেখে আপনাকে বিদেশী বায়ারগণ কাজ দিবে। এজন্য সবসময় আপনাক প্রোফাইল আডেট রাখতে হবে এবং একটিভ থাকতে হবে। বর্তমানে ফাইভারে একাউন্ট করা অনেক জটিল একটা বিষয় প্রোফাইল পূর্ণ করার জন্য ফাইভারে বিভিন্ন পরিক্ষা দিতে হয়। আপনি যদি প্রোফাইল পরিপূর্ণ করতে পারেন তাহলে অনেক কাজ পাবেন। তবে আপনি যে কাজের উপর একাউন্ট করবেন তার উপর আপনাকে পরিক্ষা দিতে হবে।

ইউসি মিডিয়া থেকে আয় :

ইউসি মিডিয়া হলো ইউসি ব্রাউজারের এপস্। সেখানে আপনি নিয়মিত লিখা-লিখি করে অনেক টাকা আয় করতে পাবেন। আপনার লিখা কনটেন্ট যত বেশি ভিউ হবে ততবেশি টাকা আপনি রেভিনিউ কমিশন পাবেন। এজন্য আপনাকে ইউসি মিডয়া অ্যাপ ডাউনলোড করে সেখানে একাউন্ট করে কনটেন্ট পাবলিশিং কাজ শুরু করতে হবে। তাবে এসব কাজে প্রথমের দিকে আপনার আয়ের সম্ভবনা থাকবে না বলেলই চলে। মোটকথা অনলাইনে সব কাজের শুরুতে আয় অনেক কম হয়। কিন্তু আপনি দক্ষ হলে অনেক আয় করতে পারবেন।

কুইকার, বিক্রিয়, ওএলএক্স এপস্ থেকে আয় :

অনলাইনে দেশে বিদেশে অনেক কেনাবেচার মার্কেট রয়েছে। যেমন- বাংলাদেশে বিক্রয়. কম ভারতে কুইকার ওএলএক্স ইত্যাদি। যেসব এপস্ এ সবসময় পুরোনো জিনিস ক্রয়-বিক্রয় করা হয়। আপনি যদি এপস্ গুলো ব্যবহার করে একজনের কাছে কম দামে পণ্য কিনে অণ্যের কাছে বেশি দামে বিক্রয় করে মোবাইলের মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারেন, যা অনেকেই করছে এতে তেমন ইভেস্ট লাগবেনা। একটু বিক্রয় স্ট্যটার্জি করে কাজ করলে সফল ভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে এপস্ গুলো মোবাইলে সেট-আপ করে সবসময় অনলাইনে একটিভ থাকতে হবে।

 আর্টিকেল লিখে মোবাইলে টাকা আয় :

আমরা হয়ত সকলেই জানি আর্টিকেল কি? যে কোন বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে বিভিন্ন ধরনের প্যারাগ্রাফ আকারে লিখাকে আর্টিকেল বলে। আপনি যদি ভালো লেখা-লিখি করতে পারেন এবং আপনার হাতের লিখা যদি ভালো হয়। আপনি যদি যেকোন একটা বিষয়ে খুব ভালো করে গুছিয়ে লিখতে পারেন তাহলে সরাসরি বা অনলাইনে আপনার কাজের অভাব হবেনা। আর আপনি যদি ভালো ইংরেজি জানেন তাহলে অনলাইনে আপনার জন্য হাজারও কাজ রয়েছে। যারা আপনাকে কাজ গুলো করিয়ে নেওয়ার জন্য খুজে বেড়াচ্ছে। অনলাইন আফলাইনে খুঁজলে অনেক মানুষ পাবেন যারা তাদের ওয়েব সাইটে লিখা-লিখি করার জন্য লোক খুঁজে নিয়োগ দেয়। আপনি তাদের হয়ে কাজ করে মোবাইলে ভালো আয় করতে পারেন।

অনলাইন বিভিন্ন মার্কেটপ্রেসে একাউন্ট :

আবার অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্রেসে একাউন্ট করে রাইটারের কাজ করতে পারেন। যেমন- আপওয়ার্ক, ফ্রিলান্সার, ফাইভার, আইরাইটার ইত্যাদি। অনলাইনে আর্টিকেল লিখার বিভিন্ন রেট থাকে যেমন- 1000 ওয়ার্ডের আর্টিকেল 3-5 ডলার, 3000 ওয়ার্ডের আর্টিকেল 10-15 ডলার ইত্যাদি। যদি অনলাইন সাইট গুলো ঘুরে আসেন তাহলে ব্যবপারটা বুঝতে পারবেন। কিন্তু আমরা কি করি মোবাইলে সারাদিন চ্যাট করে অনেক সময় ব্যয় করি যার কোন মূল্য নেই। যদি সেই টাইমটা বিভিন্ন বিষয়ে লিখা-লিখি করে পার করি তাহলে একসময় অনলাইনে আর্টিকেল সেল করে আয় করা সম্ভব। কারণ বর্তমানে অনলাইনে আর্টিকেল রাইটার অনেকেই হায়ার করে থাকে। যে পেশাতে নিজেকে জড়িয়ে কাজটি মোবাইলে করতে পারেন। কারণ বর্তমানের মোবাইলে কিউআরটি বিবোর্ড সাথে ভয়েস টাইপিং সুবিধা দিয়ে থাকে। যদি লিখতে না পারেন তাহলে নিজের ভয়েস টাইপিং জিবোর্ড সহ আরো বিভিন্ন অ্যাপস্ রয়েছে যা ব্যবহার করে আর্টিকেল রাইটারের কাজ করতে পারেন।

মোবাইল দিয়ে বিকাশে টাকা পেমেন্ট :

আসলে আনলাইন মার্কেট প্লেসে আপনার কাজের টাকা কিসে টাকা পেমেন্ট করবে সেটা নির্ভর করে সেই মার্কেট প্লেসের উপর আপনাকে মোবাইল দিয়ে বিকাশে টাকা পেমেন্ট করবে কি-না সেটা তার বলবে। এজন্য কাজের আগে পেমেন্ট সিস্টেম টা জেনে নিবেন। তবে কিছু কিছু এপস্ রয়েছে যারা বিকাশে টাকা পেমেন্ট করে থাকে। তাদের কাজ করলে মোবাইল দিয়ে বিকাশে টাকা আয় করতে পারবেন। আপনি যেকোন এপস্ এ কাজ করার সময় আগে পেমেন্ট সিস্টেমটা জেনে নিবেন। তবে বেশির ভাগ দেশিও অ্যাফিলিয়েট প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা বিকাশের মাধ্যমে টাকা পেমেন্ট করে। যারা বিকাশে টাকা আয় করার মত কাজ করতে চান তারা দেশীয় ওয়েবসাইটের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অথবা এপস্ ব্যবহার করতে পারেন।

সর্বশেষ পরামর্শ টিপস্ :

মোবাইলে টাকা আয়ের উপায় গুলো নিয়ে পরিশেষে বলা যায় যে, যে কাজই করেন না কেন অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে ধর্য ধরে করতে হবে। আর নিয়মতি পরিশ্রম করে যেতে হবে প্রয়োজন ছাড়া টাকা ইনভেস্ট করা যাবেনা, তবে কিছু টাকা খরচ হতে পারে যা আপনি আর্নিং ইনভেস্ট মনে করে নিবেন। এজন্য অবশ্যই আপনাকে সব কিছু বুঝে শুনে করতে হবে উল্টা-পাল্টা কাজে টাকা ইনভেষ্ট করা যাবে না। মনে রাখবেন পরিশ্রমই সৌভাগ্যের প্রতিশূতি তাই ধর্য ধরে পরিশ্রম করুন আয় করতে পারবেন। অনলাইনে কাজের সবচেয়ে যে জিনিস টা প্রয়োজন তাহলো ধর্য। যার ধর্য নেই সে অনলাইনে কাজ করতে পারবেনা। আর এবিষয়ে কোন কিছু জানার থাকলে নিচে কমেন্ট করুন। সে বিষয়ে সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করবো লিখাটি ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার করুন।

2 Comments

  1. পারুন আক্তার September 29, 2019
    • admin October 1, 2019

Leave a Reply

DMCA.com Protection Status
error: Content is protected !!