অনলাইনে আয়ের সহজ উপায়। অনলাইনে আয় করার সহজ উপায় ২০১৯

সূচীপত্র

অনলাইনে আয়ের সহজ উপায়:

আপনি কি অনলাইনে আয়ের সহজ উপায় চিন্তা করেছেন? যে অনলাইনে কি ভাবে আয় করা যায়। তাহলে আপনার জন্য অনলাইনে আয়ের ২০টি উপায় নিয়ে আজকের লিখা। আপনি যদি মনে করেন অনলাইনে আপনার ক্যারিয়ার গড়বেন কিংবা অনলাইনে কাজ করে আয় করবেন। তাহলে আপনার জন্য আমার এই লিখাটি যথেষ্ঠ, মনোযোগের সাথে লিখাটি পড়ে অনলাইনে আয়ের বিভিন্ন উপায় গুলো জেনে নিতে পারেন। এবং অনলাইনে কাজ করে সুন্দর একটা ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। অনলাইনে আয়ের সেরা ২০টি উপায় আপনাদের জন্য বাছায় করে দিলাম।

সোস্যাল মিডিয়া ম্যানেজার (Social Media Manger):

সোস্যাল মিডিয়া হলো- YouTube, Facebook. Instagram, Facebook Messenger, Whats-app ইত্যাদি। এসব সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে প্রতিদিন বিলিয়ন বিলিয়ন মানুষ, যার জন্য বিভিন্ন কোম্পানি এসব সোস্যাল মিডিয়াকে তাদের প্রডাক্ট প্রমোশন করার জন্য কাজে লাগাচ্ছে। এসব সোস্যাল মিডিয়াতে প্রতিটা কোম্পানির নিজেস্ব পেজ ও অ্যাকাউন্ট আছে। যেগুলো চালানোর জন্য অনেক লোক লাগে। সোস্যাল মিডিয়া ম্যানেজারের কাজ হলো পোস্ট করা, কাস্টমারের সাথে কথাবলা, বিভিন্ন প্রশ্নের উওর দেওয়া। যারা সোস্যাল মিডিয়ায় কাজ করতে দক্ষ তারাসোস্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন কাজ নিয়ে করতে পারেন।

ফটোশপ এক্সপার্ট (Photoshop Expert):

ফটোশপ হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজের জন্য আদর্শ একটা প্রোগ্রাম আপনি যদি ফটোশপ নিয়ে কাজ করতে পারেন তাহলে আপনার জন্য অনলাইনে কাজ করা সহজ হয়ে যাবে। প্রতিদিন ফটোশপের অনেক কাজ অনলাইন মার্কেট প্লেসে পাওয়া যায়। আপনি যদি ফটোশপে ছবি সহ যেকোন ডিজাইনের কাজ করতে পারেন তাহলে অনলাইন মার্কেটে অ্যাকাউন্ট করে কাজ করতে পারেন।

ডাটা এন্ট্রি অপারেটর (Data Entry Operator):

অনলাইনে আয়ের সহজ উপায় পাওয়ার জন্য মার্কেটে ডাটা এন্ট্রির কাজের অভাব নাই। আপনি যদি ডাটা এন্ট্রি করতে পারেন তাহলে কাজ শুরু করে দিতে পারেন। ডাটাএন্ট্রি হলো পিডিএফ থেকে ওয়ার্ড এ লিখা, এক্সেল বিভিন্ন তথ্য লিখা, অ্যাকসেস এর কাজ ইত্যাদি।

কনটেন্ট রাইটিং (Content Writer):

অনলাইনে কনটেন্টরাইটারের অনেক কাজ রয়েছে কনটেন্ট রাইটারের কাজ হলো কোন বিষয়ে স্ট্যাডি করে তা নিয়ে বিস্তারিত ভাবে টার্গেট অনুযায়ী একটা পূর্ণ তথ্য সমৃদ্ধ আর্টিক্যাল লিখা। আপনি যদি ভালো পারেন তাহলে আজ থেকে অনলাইনে কাজ শুরু করে দিতে পারেন। আপনাকে বাংলা, ইংরেজীতে কনটেন্ট লিখতে হবে। অথবা আপনি যে ভাষায় পারবেন। সে ভাষার কাজ নিবেন।

পাওয়ার পয়েন্ট (Power Point Expert):

মাইক্রোসফ্ট পাওয়ার পয়েন্টের নাম হয়তো অনেকেই শুনেছেন। প্রজেক্টরে হয়তো অনেকেই ক্লাস করেছেন। প্রজেক্টরের মাধ্যমে আমরা যে ডিজিটাল ক্লাস করি সেই ক্লাসের বিভিন্ন লেকচার কেউ না কেউ তো করে। এসব কাজ অনলাইনে প্রচুর পাওয়া যায়। আপনি যদি পাওয়ার পয়েন্টের কাজ পারেন। ইউনিক প্রেজেন্টেশন ডিজাইন তাহলে আপনিও করতে পারেন অনলাইনে আর্নিং।

টার্নস্কিপসোনিস্ট (Transcription-est):

টার্নস্কিপসোনিস্ট হলো অনুবাদক, আপনি যদি বিভিন্ন ভাষায় দক্ষ হন তাহলে অনুবাদক হিসাবেও অনলাইনে কাজ করতে পারেন। আবার অডিও শুনে টেক্সেটে রুপান্তরিত করার মত কাজ করতে পারেন, এসব কাজের অনেক ডিমান্ড। অনলাইনে আপনাকে বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করার জন্য  লিখা দেওয়া হবে, সেগুলো করেও অনলাইনে বেশ একটা ভালো মানের আয় করতে পারেন।

ভয়েস অ্যাক্টর (Voice Actor):

আপনি অনেক ভিডিও দেখেছেন যে তার যে কোন বিষয়ে খুব সুন্দর করে উপস্থাপন করে কিন্তু তাদের দেখা যায় না। এসব কাজ ভয়েস অ্যাক্টর করে। এসব ভয়েস অ্যাক্টর বিভিন্ন কোম্পানি তাদের কিছু নির্দিষ্ট র্স্কিপ্ট দিয়ে থাকে। সে অনুযায়ী তারা ভয়েস বিক্রয় করে। এসব কাজে অনলাইনে আয়ের সহজ উপায় হিসাবে প্রচুর চাহিদা রয়েছে আপনার যদি ভাল কন্ঠ হয়, উপস্থাপন ভঙ্গিভালো হয় তাহলে আপনি ভয়েস অ্যাক্টরের কাজ করতে পারেন।

ভার্চুয়াল এ্যসিস্টেন্ট (Virtual Assistant):

ভার্চুয়াল এ্যসিস্টেন্ট হলো বিভিন্ন কোম্পানির বস তাদের সহযোগীতা করার জন্য লোক নিয়োগ দেয়।তাদের প্রতিদিনের বিভিন্ন কাজ যেমন তাদের ই-মেইল মেইন্টেন করা, বিজনেস পার্টনারদের সাথে যোগাযোগ করা, বিজনেস মিটিং ফিক্স করা, বিভিন্ন তথ্য দেওয়া, ডাটা কালেশন করার মত কাজ করার সময় থাকে না।এজন্য তার ভার্চুয়াল এ্যসিস্টেন্ট নিয়োগ দেয় অনলাইনে এসব কাজ অনেক রয়েছে। আপনি যদি নিজেকে এসব কাজ করার জন্য দক্ষ মনে করেন তাহলে আপনিও করতে পারেন।

অনলাইন কনসাল্টটেন্ট (Online Consultant):

কনসাল্টটেন্ট অর্থ পরামর্শ, আপনি যদি কোন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে ফেলতে পারেন তাহলে আপনি অনলাইন কনসাল্টটেন্ট হিসাবে কাজ করতে পারেন। যেমন- ওয়েব ডিজাইনার এইও এক্সপার্ট   ডক্টর, লয়ার ইত্যাদির মত অলাইনে পরামর্শক হিসাবে কাজ করতে পারেন। ধরুন কোন বিষয়ে কোন পরামর্শ বা টিপস দরকার তাদের সে সব বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করার সময় নেই তখন তার অনলাইন কনসাল্টটেন্টএর কাছে রেডিমেট পরামর্শ নেয় এতে তাদের সময়ও বাচঁলো আবার সহজে কাজটাও হলো।

ই-মেইল হ্যান্ডেলিং (Email Handling):

আপনার যদি ই-মেইল সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকে তাহলে আপনিও ই-মেইল হ্যান্ডেলিং এর কাজ করতে পারেন।  আপনাকে যদি কোন কোম্পানি তার ই-মেইল আইডি দেয় তার দেখাশোনা করার জন্য তাহলে  আপনার কাজ হবে ই-মেইল পড়া, ই-মেইলের উওর দেওয়া। ই-মেইলের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাম্পেইন করা ইত্যাদি। এসব কাজ ইমেইলের মাধ্যমে করাকে ই-মেইল হ্যান্ডেলিং বলা হয়।

ই-মেইল মার্কেটিং (Email Marketing):

আপনি হয়ত দেখেছেন যে আপনার ই-মেইলে অটোমেটিক ই-মেইল চলে আসে কিন্তু আসলে এসব ই-মেইল অটোমেটিক আসে না কেউ না কেউ আপনাকে সেন্ড করে। এসব ই-মেইল যারা সেন্ড করে তাদের এই কাজকে ই-মেইল মার্কেটিং বলা হয়। ই-মেইল কালেকশন করার পর আপনাকে বিভিন্ন টেমপ্লেট তৈরী করে কোম্পানির বিভিন্ন পণ্য নিয়ে ই-মেইলের মাধ্যমে প্রচার করায় ইমেইল মার্কেটিং এর কাজ। ই-মেইল সংগ্রহ করা, ই-মেইলে প্রচার করা, ই-মেইলের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাম্পেইন করা। তার উপর রিপোর্ট তৈরী করা ইত্যাদি কাজ ই-মেইল মার্কেটিং বোঝায়।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (affiliate Marketing):

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হলো অন্যের প্রডাক্ট সেল করে কমিশন নেয়া। অথার্ৎ আপনাকে কোন ই-কমার্স ওয়েবসাইট অ্যামাজন.কমের মত সাইটে অ্যাকাউন্ট করতে হবে, তখন তারা আপনাকে একটা লিংক দিবে সেটা আপনি বিভিন্ন ভাবে শেয়ার করতে পারেন, যেমন- বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়া, ব্লগ সাইট করে, ইউটিউব চ্যানেল করে ইত্যাদি মাধ্যমে শেয়ার করলে আপনার শেয়ার করা লিং দ্বারা যদি কেউ ৯০ দিনের মধ্যে কোন পণ্য কিনে তাহলে আপনি একটা কমিশন পাবেন। কমিশনের পরিমাণ ৩০%-৫০% হতে পারে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং যেটা বর্তমানে অনেকই করছে। অ্যাফিলিয়েট করার জন্য অ্যামাজন.কমের মত অনেক ওয়েবসাইট সুযোগ দিচ্ছে। আপনি যদি মনে করেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন তাহলে আজই অ্যাফিলিয়েট ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট করে কাজ শুরু করতে পরেন । যদি একটু মাথা খাটান তাহলে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ইউটিউব ভিডিও (YouTube Video Making):

আপনি যদি কোন কিছুতে অনেক দক্ষ হন তাহলে তার উপর কিছু ভিডিও তৈরী করে। ইউটিউবে একটা চ্যানেল করে, তাতে নিয়মিত আপলোড করে, গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে ভালো একটা স্থায়ী ইনকাম করতে পারেন। যেটা একবার শুরু হলে চলতেই থাকবে। আপনি যদি মনে করেন বাড়ির আশে-পাশে কিছু সুট করে ভালোভাবে কিছু বিষয় তুলে ধরলেন দিয়ে ইউটিউবে দিয়ে আর্নিং করতে পারেন। ইউটিউব দেখেন তারা কেমন ভিডিও দেয় দিয়ে একটু ধারণা নিতে পারেন। একটা কথা মাথায় রাখবেন ইউটিউবে যদি ইনকাম করা না যায় তাহলে সবাই কেন এত ভিডিও ইউটিউবে দিচ্ছে। বিনা কারণে কেউ তো এত কষ্ট করে ভিডিও বানিয়ে দিবে না।

ডোমেন ও অ্যাপ সেল করে (Domain app Selling):

আপনি কোন মনে রাখার মত সহজ  ডোমেন নাম কিনে রাখতে পারেন যেটার ভ্যালু অনেক হবে অথবা কোন মোবাইল অ্যাপ তৈরী করে তার প্রচার করে বিক্রয় করে দিতে পারেন। এতে এক সাথে অনেক টাকা পাওয়া য়ায়। অনলাইনে অনেক মার্কেট প্লেস আছে এমন ডোমেন অ্যাপ বিক্রয় করা যায়।

বিভিন্ন অ্যাপ টেস্টিং জব (App Testing):

অনলাইনে প্রতিদিন অনেক আপ মার্কেটে আসছে।গুগল প্লে ষ্টোর, আওএস ষ্টেরে, এসব অ্যপ টেস্ট করার জন্য অনলাইনে অনেক জব রয়েছে। আপনার কাজ হবে আপনার মোবাইলে এসব অ্যাপ ইনস্টল করে তার উপর রিপোর্ট তৈরী করা। যে অ্যাপের সমস্যা কি, কেমন চলছে, কি কি আপডেট করতে হবে ইত্যাদি বিষয়ে ।

গুগল এ্যানালইটিক্স (Google analytic):

গুগল এ্যানালইটিক্স হলো ওয়েবসাইটের বিস্তারিত রিপোর্ট পাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ওয়েব সাইটের অনারগণ তাদের ওয়েবসাইটের সঠিক তথ্য পাওয়ার জন্য গুগল এ্যানালাইটিক্স ব্যবহার করে।তাদের সাইটে ভিজিটর কেমন, কোন কোন পেজে বেশি ভিজিটর, কোন মাধ্যম থেকে বেশি ভিজিটর আসছে ইত্যাদি হাজার তথ্য পাওয়া যায়। তাই অনেক কোম্পানি এ্যানালাইটিক্স স্পেশালিস্ট নিয়োগ দেয়।তাদের সাইটের সঠিক তথ্য নিয়ে সাইট আপডেট করার জন্য, আপনি যদি গুগল এ্যানালাইটিক্স বুঝেন তাহলে অনলাইনে কাজ করতে পারেন। গুগল এ্যনালাইটিক্সনা বুঝলে ইউটিউবে অনেক ভিডিও আছে দেখে শিখে নিয়ে কাজ করতে পারেন।

এসইও স্পেসালিস্ট (SEO Socialist):

এসইও অর্থ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। অর্থাৎ গুগলের জন্য আর্দশ করে ওয়েবসাইট তৈরী করা গুগলের সার্চ পেজের প্রথম পাতার আসার জন্য বিভিন্ন কোম্পানি তাদের ওয়েবসাইটের এসইও করায়। বর্তমানে এটার অনেক ডিমান্ড আপনি যদি ভালো এসইও অপটিমাইজার হতে পারেন তাহলে আজ থেকেই কাজ শুরু করতে পারেন। এসইও কি জানতে এখানে ক্লিক করুন।

ওয়েবসাইট ডিজাইন  এন্ড ডেভেলপমেন্ট (Web design & Development):

ওয়েব সাইট ডিজাইন হলো কোন ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে তার একটা প্রাথমিক চিত্র তৈরী করা অর্থাৎ ওয়েব সাইটের বেসিক পেজ তৈরী করা। এবং ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে ওয়েবসাইট দিনে দিনে আরো সুন্দর ও ডাইনামাইক করে তোলা।ওয়েবসাইট ডিজাইন  এন্ড ডেভেলপমেন্ট এর কাজ অনলাইনে প্রতিদিন অনেক পাওয়া যায়। আপনি যদি মনে করেন ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্টের কাজ করবেন তাহলে কোন ট্রেনিং সেন্টারে শিখে কাজে নামতে পারেন। বর্তমানে এর অনেক চাহিদা রয়েছে ।

ওয়েবসাইট তৈরী করে (Creating Website):

আপনি একটা ওয়েব সাইট তৈরী করতে পারেন তাহলে আপনার একটা ওয়েব সাইট হতে পারে সারা জীবনের আর্নিং সোর্স। সেখান থেকেও স্থায়ী ইনকাম করতে পারেন।

ওয়ার্ডপ্রেস ডেভলপার (Ward press Developer):

ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন হাজার হাজার ওয়েব সাইট তৈরী করা হচ্ছে। কিন্তু সেসব ওয়েব সাইট কাস্টমাইজের জন্য প্রচুর কাষ্টমাইজারের প্রয়োজন। তাই আপনি ওয়ার্ড প্রেস কাস্টমাইজ শিখেও অনলাইনে বেশ ভালো আর্নিং করতে পারেন। ।

আপনি যদি মনে করেন এগুলো কাজের মধ্যে কোন একটা কাজ করবেন, তাহলে অনলাইন অনেক মার্কেটপ্লেসে রয়েছে যারা এসব কাজের জন্য কর্মী নিয়োগ দেয়। আপনিও আজ থেকে শুরু করে দিতে পারেন।

তবে সব কাজের জন্য আপনার ধর্য লাগবে। আপনি অ্যাকাউন্ট করেই কাজ পাবে এর কোন গ্যারান্টি নাই। তাই ভালো ভাবে প্রেফাইল সহকারে অ্যাকাউন্ট করে ধর্য ধরে সময় দিয়ে কাজ নিতে হবে। মনে রাখবে যখন একবার কাজ পাবেন তারপর থেকে দেখবেন আপনার কাজ পাওয়া কত সহজ হয়ে যাবে।

যদি এ বিষয়ে আরো কিছু জানার থাকে বা সমস্যা হয় তাহলে আমাকে কমেন্ট করতে ভূলবেন না। আপনার কমেন্টের উওর দেওয়ার চেষ্টা করবো। আর আমার লিখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদের জানাতে ভূলবেন না।

2 Comments

  1. Avatar MD Rabbi April 1, 2019
    • Avatar eMakerBD April 2, 2019

Leave a Reply

error: Content is protected !!