বাংলা কনটেন্ট রাইটিং টিপস্

কনটেন্ট কি ? বাংলা কনটেন্ট বা আর্টিকেল লেখার নিয়ম

কনটেন্ট কি ? যেকোন ওয়েবসাইটের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো কনটেন্ট, সেটা হতে পারে বাংলা বা ইংরেজী। আর্টিক্যাল, ছবি, গ্রাফিক্স, অডিও ভিডিও সবগুলোকে এককথায় কনটেন্ট বলে। সার্চ ইঞ্জিনের জন্য সবচেয়ে যেটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেটা হলো তথ্যপূর্ণ কনটেন্ট। যেটার জন্য ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে বার বার আসবে এবং সার্চ ইঞ্জিনে ভিজিটরের জন্য সার্চে আপনার সাইট প্রদর্শন করবে। সুতরাং এথেকে বোঝা যাচ্ছে যে ওয়েবসাইটের জন্য কনটেন্ট কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই আজ আমরা বাংলা বাংলা কনটেন্ট রাইটিং টিপস্ বা আর্টিকেল লেখার নিয়মগুলো জানবো।

কনটেন্ট কি কাকে বলে ?

যেকোন তথ্যপূর্ণ বিষয়বস্তুকে লিখিত, অডিও ভিডিও, এনিমেশন আকারে প্রকাশ করাকে কনটেন্ট বলে। অর্থা এককথায় যেকোন তথ্যপূর্ণ আর্টিকেল, অডিও ভিডিও, গ্রাফিক্স এনিমেশনকে কনটেন্ট বলা যায়। যেমন- কোনো হাতের লেখা, ছাপানো কাগজ, ভিডিও বা চলমান ছবি, অডিও বা শব্দযোগ, গ্রাফিক্স বা নকশা, ডিজাইন বা আঁকা, আলোকচিত্র, ছায়াছবি, দলিল, এনিমেশন বা ইনফো গ্রাফিক্স ইত্যাদি । যার প্রধান বৈশিষ্ট হতে হবে যেকোন তথ্যপূর্ণ, আর তথ্য পূর্ণ বিষয়কে কনটেন্ট হিসাবে ধরা যায়। নিচে এসইও ফ্রেন্ডলী কনটেন্ট বা বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম এবং কনটেন্ট কত প্রকার কি কি বিষয় গুলো উল্লেখ করা হয়েছে।

এসইও ফেন্ডলী কনটেন্ট রাইটিং

যেকোন সাইট থেকে রানিং বা আর্নিং করতে হলে ভালো মানের কনটেন্ট ওয়েবসাইটে থাকতে হবে। সাইট র‌্যাং ও এসইও জন্য এটা কোয়ালিটিফুল কনটেন্ট অতিব গুরুত্বপূর্ণ যা নিদিষ্ট নিশে থাকা প্রয়োজন। আপনার কনটেন্ট যদি ভালো হয়, দেখবেন অটোমেটিক আপনার সাইট সার্চ ইঞ্জিনে প্রদর্শন করবে আর আটেমেটিক ভিজিটর বাড়বে। তাই আজ আমি বাংলা ইংরেজি, টেক্সট ইত্যাদি কনটেন্ট লেখা বা তৈরী করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করবো। কারণ এসইও তে যে কয়টা ধাপ আছে তার মধ্যে প্রধান এবং অন্যতম ধাপ হলো বাংলা কনটেন্ট রাইটিং জানা।

বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম

আর্টিক্যাল লিখার সময় যে বিষয় গুলোর প্রতি খেয়াল রাখতে হবে তার মধ্যে অন্যতম হলো:

  • আর্টিক্যাল লেখার আগে অবশ্যই সুন্দর একটা টাইটেল বা হেডিং নিবার্চন করতে হবে। যেটার মধ্যে আপনার কি-ওয়ার্ড থাকবে। যে টাইটেলের উপর সম্পূর্ণ আর্টিক্যালটি লিখতে হবে।
  • কনটেন্ট রাইটিং এর শুরুতে সুন্দর একটা ভূমিকা দিতে হবে, যে বিষয় নিয়ে লিখবেন সে বিষয়ের উপর একটা আর্কষণীয় উপস্থাপনা দিতে হবে। কোন ভিজিটর প্রথমে পড়েই যেন তার বাকি অংশ পড়ার আগ্রহ তৈরী হয়।
  • আর্টিক্যালের মূল কথায় যেন পরিপূর্ণ খুটি-নাটি বিষয় উল্লেখ থাকে এবং প্রতিটা বিষয়ের ব্যাখা সুন্দর ভাবে বুঝানো থাকে। যেকোন ইউজারের বুঝতে যেন কোন সমস্যা না হয়, তাই পরিস্কার স্বাবলিল ভাষায় লিখতে হবে।
  • যেকোন আর্টিক্যালের মধ্যে বারবার আপনার কিওয়ার্ড ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে।
  • আর্টিক্যালের মধ্যে ছোট ছোট প্যারা তৈরী করতে হবে যেন প্রতিটা ইউজারের পড়তে সহজ হয়।
  • প্রধান হেডিং কে h1 ক্যাটাগরি, ২য় হেডিং কে h2 এবং সাব হেডিং কে h3 দিতে হবে আর আর্টিক্যালের প্রতিটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কে বোল্ড, ইতালি, আন্ডার লাইন, কালার ঠিক ঠাক ভাবে করতে হবে।
  • শর্ট প্যারাগ্রাফ আকারে ছোট ছোট প্যারা করে সহজ এবং সুন্দর ভাবে লিখতে হবে।
  • আর্টিক্যাল লিখার সময় অনেক বড় লম্বা করার চেষ্টা করতে হবে তার মধ্যে প্রতিটা খুটি-নাটি বিষয়ের এ টু জেড বিস্তারিত ভাবে লিখার চেষ্টা করতে হবে।

কপিরাইট থেকে বেঁচে থাকা

এসইওর জন্য কোন কনটেন্ট কপি করা যাবে না। কারো ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট যদি কপি করেন তাহলে আপনার সাইট র‌্যাংক করবেনা। ভবিষৎতে কিক খেতে পারে এডসেন্স হারাতে পারেন। তাই সব সময় সচেতন থাকতে হবে। যদি কপি করেন তাহলে হুবহু না করে তার থেকেও ভালেভাবে মোডিফাই করে পাবলিশ করতে হবে।

উপরের বিষয়গুলো ঠিকঠাক ভাবে করতে পারলে আপনার আর্টিক্যাল কনটেন্ট অবশ্যই গুগলে র‌্যাংক করবে। আপনি যদি এইভাবে আর্টিক্যাল লিখতে না পারেন তাহলে অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেট আছে তাদের মাধ্যমে লিখিয়ে নিতে পারেন। অথবা আমার সাথে ইমেলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন।

আশা করি কনটেন্ট কি বুঝতে পেরেছেন। প্রতিটা কনটেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করার চেষ্ট করবো কারণ এসইওর জন্য কনটেন্ট অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসইও সম্পর্কে আরো জানতে এসইও ক্যাটাগরি সার্চ করুন অথবা এখানে ক্লিক করুন।

ডিজিটাল কনটেন্ট কি, কাকে বলে

সাধারণত যেকোন বিষয়ে লিখিত তথ্যই হলো আধুনিক কনটেন্ট হলো ডিজিটাল কনটেন্ট। যেকোনো তথ্য যদি ডিজিটাল উপাত্ত আকারে প্রকাশিত হয়, কিংবা প্রেরিত গৃহীত উপস্থাপন করা হয় তাহলে তাকে ডিজিটাল কনটেন্ট বলে। যেমন- অনলাইন পত্রিকা, ব্লক, ইউটিউব, মিডিয়া ইত্যাদি ডিজিটাল কনটেন্ট প্রকাশিত হয়।

ডিজিটাল কনটেন্ট কত প্রকার

যেকোন ইনফরমেশন মূলক টেক্স, ছবি, গ্রাফিক্স, অডিও, ভিডিও দ্বারা পূর্ণ কনটেন্ট তৈরী হয়। তাহলে বোঝা যাচ্ছে যে উপরোক্ত তথ্যের ভিত্তিতে ডিজিটাল কনটেন্ট সাধারণত ৫ প্রকার হয়ে থাকে। নিম্নে ডিজিটাল কনটেন্ট কত প্রকার সংক্ষিপ্ত আকারে দেওয়া হয়েছে :

টেক্সট কনটেন্ট (Text Content)

যেকোন টেক্সট কনটেন্ট হলো বিভিন্ন ভাষায় লিখিত আকারে প্রকাশিত আর্টিক্যাল সমূহকে বোঝায়। যেমন- নিউজ পেপার, ব্লগ সাইট ইত্যাদিতে বিভিন্ন ভাষায় বিভিন্ন টপিকে টেক্সট কনটেন্ট প্রকাশ করে থাকে।

ইমেজ কনটেন্ট (Image Content)

ছবি বা ইমেজ কনটেন্ট হলো বিভিন্ন চিত্র আকারে প্রকাশিত তথ্যকে বোঝায়। যেসকল দৃশ্য মোবাইল বা ক্যামেরায় ধারণ করা হয় বা আমরা তুলে থাকি এবং বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে থাকি। হতে পারে সেটা যেকোন কিছুর ছবি বা তথ্য বহুল আর্ট।

গ্রাফিক্স কনটেন্ট (Graphics Content)

ভার্চয়াল গ্রাফিক্স কনটেন্ট হলো বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন আর্ট হাতে আঁকা ছবির মত দেখতে অনেকটা আবার এনিমেশন চিত্র ইত্যাদি। আমরা এনিমেশন চিত্রকে বর্তমানে অনেক কাজে ব্যবহার করছি যেটা গ্রাফিক্স দিয়ে তৈরী কিন্তু দেখতে বাস্তব চিত্রের মতো। যেমন- থ্রি এনিমেশন, কার্টুন, গেমস, মুভি, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি।

অডিও কনটেন্ট (Audio Content)

শব্দ বা সাউন্ড বা অডিও কনটেন্ট হলো কোন কিছুর তথ্য বহুল আওয়াজ রের্কডিং করে তা অনলাইনে দেওয়া। যেমন-অডিও গান, মিউজিক ভিডিও, রিংটোন, ওয়াজ ইত্যাদি। অডিও কনটেন্ট এর চাহিদা অনলাইন জগতে দিনে বেড়েই চলেছে কারণ বর্তমানে কোন ভিডিও তৈরী করতে হলে অডিও কনটেন্ট ছাড়া তা পূর্ণতা লাভ করতে পারে না।

ভিডিও কনটেন্ট (Video Content)

যেসকল তথ্য বহুল ডকুমেন্টশন ক্যাপচার করে ভিডিও আকারে প্রকাশ করা হয় তাকে ভিডিও কনটেন্ট বলা হয়। যেগুলো দেখা যায় শোনা যায়। যাকে অনেকে ভিডিও চিত্র বলে, ইউটিউবে টিভিতে যেগুলো আমরা প্রতি নিয়ত দেখি সেগুলোই ভিডিও কনটেন্ট। বর্তমান বিশ্বে ভিডিও কনটেন্ট এর চাহিদা দিগুন হারে বেড়েই চলেছে। তাই ভিডিও কনটেন্ট নির্মাতা হিসাবে ইউটিউবের মত অনলাইন সাইটে কাজ করে নিচের ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।

4 Comments

  1. সজিব September 26, 2019
    • admin September 28, 2019
  2. Nbitan December 24, 2019
    • admin December 25, 2019

Leave a Reply

DMCA.com Protection Status
error: Content is protected !!