কনটেন্ট রাইটিং টিপস্-এসইও ফ্রেন্ডলি বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম [Update]

ওয়েবসাইটের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো কনটেন্ট, সেটা হতে পারে বাংলা-ইংরেজী আর্টিক্যাল, ছবি, গ্রাফিক্স, অডিও-ভিডিও সব, এগুলো কে কনটেন্ট বলে। সার্চ ইঞ্জিনের জন্য সবচেয়ে যেটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেটা হলো তথ্যপূর্ণ কনটেন্ট। যেটার জন্য ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে আসবে। এবং সার্চ ইঞ্জিন ভিজিটরের সার্চে আপনার সাইট প্রদর্শন করবে। সুতরাং বোঝা যাচ্ছে যে ওয়েবসাইটের জন্য কনটেন্ট কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়েবসাইট রানিং করতে হলে ভালোমানের কনটেন্ট আপনার ওয়েবসাইটে রাখতে হবে। এসইও জন্য এটা কনটেন্ট অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনার কনটেন্ট যদি ভালো হয়, দেখবেন অটোমেটিক আপনার সাইট সার্চ ইঞ্জিনে প্রদর্শন করবে। তাই আজ আমি বাংলা-ইংরেজি, টেক্সট ইত্যাদি কনটেন্ট লিখার বা তৈরী করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করবো। কারণ এসইও তে যে কয়টা ধাপ আছে তার মধ্যে এটা অন্যতম একটা ধাপ।

এসইও ফ্রেন্ডলী আর্টিক্যাল কনটেন্ট লিখার নিয়ম

আর্টিক্যাল লিখার সময় যে বিষয় গুলোর প্রতি খেয়াল রাখতে হবে তার মধ্যে অন্যতম হলো:

  • আর্টিক্যাল লিখার আগে অবশ্যই সুন্দর একটা টাইটেল বা হেডিং নিবার্চন করতে হবে। যেটার মধ্যে আপনার কি-ওয়ার্ড থাকবে।যে টাইটেলের উপর সম্পূর্ণ আর্টিক্যাল লিখা হবে।
  • আর্টিক্যালের শুরুতে সুন্দর একটা ভূমিকা দিতে হবে, যে বিষয় নিয়ে লিখবেন সে বিষয়ের উপর একটা আর্কষণীয় উপস্থাপনা দিতে হবে কোন ভিজিটর প্রথমে পড়েই যেন তার বাকি অংশ পড়ার আগ্রহ তৈরী হয়।
  • আর্টিক্যালের মূল কথায় যেন পরিপূর্ণ খুটি-নাটি বিষয় উল্লেখ থাকে এবং প্রতিটা বিষয়ের ব্যাখা সুন্দরভাবে বুঝানো থাকে। কোন ইউজারের বুঝতে যেন কোন সমস্যা না হয়, পরিস্কার স্বাবলিল ভাষায় লিখতে হবে।
  • আর্টিক্যালের মধ্যে বারবার আপনার কিওযার্ড ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে।
  • আর্টিক্যালের মধ্যে ছোট ছোট প্যারা তৈরী করতে হবে যেন প্রতিটা ইউজারের পড়তে সহজ হয়।
  • প্রধান হেডিং কে h1 ক্যাটাগরি হেডিং কে h2 এবং সাব হেডিং কে h3 দিতে হবে আর আর্টিক্যালের প্রতিটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কে বোল্ড, ইতালি, আন্ডারলাইন ঠিক-ঠাক ভাবে দিতে হবে।
  • শর্ট প্যারাগ্রাফ আকারে ছোট-ছোট প্যারা সহজ এবং সুন্দর ভাবে দিতে হবে।
  • আর্টিক্যাল লিখার সময় অনেক বড় লম্বা করার চেষ্টা করতে হবে তার মধ্যে প্রতিটা বিষয়ের খুটি-নাটি এ টু জেড বিস্তারিত ভাবে লিখার চেষ্টা করতে হবে।

কপিরাইট: এসইওর জন্য কোন কনটেন্ট কপি করা যাবেনা। কারো ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট যদি কপি করেন তাহলে আপনার সাইট র‌্যাংক করবেনা।

উপরের বিষয়গুলো ঠিকঠাক ভাবে করতে পারলে আপনার আর্টিক্যাল কনটেন্ট অবশ্যই গুগলে র‌্যাংক করবে। আপনি যদি এইভাবে আর্টিক্যাল লিখতে না পারেন তাহলে অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেট আছে তাদের মাধ্যমে লিখিয়ে নিতে পারেন। অথবা আমার সাথে ইমেলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন।

কি কি ধরনের কনটেন্ট হয় তা জেনেনি

  • Text Content: টেক্সট কনটেন্ট হলো বিভিন্ন ভাষার লিখা আর্টিক্যাল ইত্যাদি। বিভিন্ন ভাষায় বিভিন্ন টপিক লিখা-লিখি টেক্সট কনটেন্ট।
  • Image Content: ইমেজ কনটেন্ট হলো বিভিন্ন ছবি চিত্র যেটা মোবাইলে ক্যামেরায়  আমরা তুলে থাকি এবং বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে থাকি।
  • Graphics Content: গ্রাফিক্স কনটেন্ট হলো বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন আর্ট হাতে আঁকা ছবির মত দেখতে অনেকটা আবার এনিমেশন চিত্র ইত্যাদি।
  • Audio Content: অডিও কনটেন্ট হলো কোন কিছুর শব্দ রেকডিং করে তা অনলাইনে দেওয়া যেমন-অডিও গান, রিংটোন ইত্যাদি।
  • Video Content: ভিডিও কনটেন্ট হলো ভিডিও, যেগুলো দেখা যায় শোনা যায়। অনেকে ভিডিও চিত্র বলে, ইউটিউবে যেগুলো আমরা প্রতি নিয়ত দেখি সেগুলো ভিডিও কনটেন্ট।

আশা করি কনটেন্ট কি বুঝতে পেরেছেন। প্রতিটা কনটেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করার চেষ্ট করবো কারণ এসইওর জন্য কনটেন্ট অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসইও সম্পর্কে আরো জানতে এসইও ক্যাটাগরি সার্চ করুন অথবা এখানে ক্লিক করুন

Leave a Reply

error: Content is protected !!