সাইট তৈরীর উদ্দেশ্য:

আমার এই সাইটে নিত্য দিনের প্রয়োজনী বিভিন্ন সৃষ্ট্র সমস্যার সমাধান খুটি-নাটি সার্ভিসিং কি ভাবে করবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে আর্টিক্যাল আকারে ধিরে ধিরে পাবলিষ্ট করা হবে। যেন আপনারা টেকনোলজি রিলেটেড বিষয়ে সহজে আপনার সমাধান করতে পারেন এবং নিজেই মেকার হিসাবে নিজের সমস্যা সমাধান করতে পারেন।

এছাড়াও চাকুরী প্রার্থীদের জন্য চাকুরী সম্পর্কে বিভিন্ন টিপস্ থাকবে বাস্তব অভিজ্ঞতা সহকারে। এবং চাকুরীতে আবেদন করার সঠিক নিয়ম রেজাল্ট ও অনলাইনে আর্নিং সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে তথ্য সবার মাঝে পৌছে বেকার মুক্ত বাংলাদেশ গড়া।

সাইটের লেখক সম্পর্কে কিছু কথা:

ই-মেকার বিডিতে যাদের আর্টিক্যাল পাবলিষ্ট করা হবে:

বেশির ভাগ এ্যাডমিনের আর্টিক্যাল থাকবে। পাশাপাশি

কারিগরি ইনস্টিটিউটের কিছু ছাত্রদের সার্ভিসিং রিলেটেড আর্টিক্যাল থাকবে

সেসব আর্টিক্যাল এর নিচে তাদের নাম প্রকাশ করা হবে। যদি কেউ তার অর্টিক্যাল উক্ত সাইটে প্রকাশ করাতে চাই তাহলে সে আমাদের ই-মেইল করতে পারেন।

সাইট সম্পর্কে কিছু কথা:

ই-মেকার বিডি নামকরণ করার কিছু কারণ রয়েছে তার মধ্যে হলো

ই- অর্থ অনলাইন ভিত্তিক, মেকার অর্থ সৃষ্টি করা, বিডি মানে বাংলাদেশ।

ই-মেকার বিডিতে যে সকল বিষয় নিয়ে ব্লগগিং করা হবে তা হলো

সৃষ্টি মূলক সকল কিছু যেগুলো সবার নিত্যদিনে কাজে লাগে তার সমাধান।

এখানে পনেরটি ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন সৃষ্টিমূলক আর্টিক্যাল প্রকাশ করা হবে তার মধ্যে হলো:

সকল সার্ভিসিং প্রজেক্ট/হবি প্রজেক্ট/অনলাইনে আর্নিং/ ক্যারিয়ার/ এবং রেজাল্ট তথ্য।

সাইটের অথরিটি সম্পর্কে

সাইটের প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কে

সাইটের লক্ষ

সাইটের সহযোগী সম্পর্কে

বিজ্ঞাপন সম্পর্কে

সাইটে লিখার বিষয় সমূহ:

  • মোবাইলের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান নিয়ে ধারাবাহিক বর্ণনা।
  • কম্পিউটারের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান নিয়ে ধারাবাহিক বর্ণনা।
  • ইলেক্ট্রনিক্সের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান নিয়ে ধারাবাহিক বর্ণনা।
  • ইলেক্ট্রিক্যালের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান নিয়ে ধারাবাহিক বর্ণনা।
  • বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স হবিপ্রজেক্ট সম্পর্কে ধারাবাহিক বর্ণনা।
  • অনলাইনে আর্নিং সংক্রান্ত সকল বিষয় নিয়ে ধারাবাহিক বর্ণনা।
  • ওয়েবসাইট সংক্রান্ত সকল বিষয় নিয়ে ধারাবাহিক বর্ণনা।
  • এস.ই.ও সংক্রান্ত সকল বিষয় নিয়ে ধারাবাহিক বর্ণনা।
  • চাকুরী সংক্রান্ত সকল বিষয় নিয়ে ধারাবাহিক বর্ণনা।
  • বাংলাদেশের সকল রেজাল্ট নিয়ে ধারাবাহিক বর্ণনা।
  • ক্যারিয়ার সংক্রান্ত কিছু বিষয় নিয়ে ধারাবাহিক বর্ণনা।
  • সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ধারাবাহিক বর্ণনা।
  • অন্যান্য নতুন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ধারাবাহিক বর্ণনা।
  • অনলাইনে ফ্রি কম্পিউটার ট্রেনিং ক্লাস থাকবে সকল শিক্ষার্থীর জন্য। যারা টাকার জন্য ট্রেনিং করতে পারছে না তাদের জন্য এ ব্যবস্থা করা হয়েছে।

নিজের সম্পর্কে কিছু কথা:

আমার নিজের সম্পর্কে বলার মত তেমন কিছুই নেই, আমার নাম আল আমিন,

পিতা: মোঃ আলতাব হোসেন। আমি ২০১৫ সালে রাজশাহী কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মার্স্টাস ডিগ্রী শেষ করেছি এবং এর পাশাপাশি আমি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কারিগরী শিক্ষা গ্রহন করেছি।

যেমন-

ডিপ্লোমা-ইন-মোবাইল, বেসিক হার্ডওয্যার এন্ড সফ্টওয়্যার।

ডিপ্লোমা-ইন-কম্পিউটার, বেসিক হার্ডওয্যার এন্ড সফ্টওয়্যার ।

সার্টিফিকেট-ইন কম্পিউটার, অফিস এপ্লিকেশন।

সার্টিফিকেট-ইন ইলেক্ট্রনিক্স, টিভি, হোম এপ্লাইন্স ইত্যাদি।

সার্টিফিকেট-ইন ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড মটর রিওয়্যারিং।

উল্লেখযোগ্য এই পাচঁটি কোর্স করি।

আমি ছোট বেলা থেকে অনেক সপ্ন নিয়ে বড় হয়েছি। ভাবতাব বড় হয়ে বিজ্ঞানী হবো।

ছোট বেলায় যখন আমি সামান্য বুঝতে শিখেছি তখন থেকে আমার টেকনোলজির প্রতি অনেক আর্কষণ ছিলো। আমার কোন জিনিস নষ্ট হয়ে গেলে নিজে নিজেই ঠিক করতাম আবার নষ্ট করতাম আবার ঠিককরতাম, যেমন- খেলনা মোবাইল, গেম বক্স, ঘড়ি, ইত্যাদি নানা ছোট বেলার ইলেক্ট্রনিক্স খেলনা, তাই আমার মেরামতি কাজের প্রতি বেশি আর্কষণ। চিন্তা করতাম বড় হয়ে বিজ্ঞানী হবো কিন্তু আমার পড়াশোনা টেকনিক্যাল না হয়ে নানা কারণে সাধারণ শিক্ষায় পরিনত হয়।

আর পড়াশোনাকে জীবনের মূল লক্ষ হিসাবে ধরে এগিয়ে যায়। কিন্তু বর্তমান অবস্থা এমন হয়েছে যে আমার পড়াশোনা কোন কাজে আসছে না। আমি কারিগরী ভাবে যে কাজ গুলো শিখেছি সে কাজগুলো আমার কাজে আসছে। যার বর্তমানে চাকুরীর বাজারে বেতন স্কেল খুবই কম। তাও যাই হোক এগুলো দিয়ে জব করতে পারছি, এখন মনে হয় পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে হাতের কাজের দিকে বেশি সময় দিলে অনেক ভালো করতাম। কারণ এত পড়াশোনা করার পর যদি ট্রের্ড কোর্স যোগ্যতার জব করতে হয় তাহলে মাস্টার্স ডিগ্রীর কি দরকার?

আর একজন সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সাধারণ ছেলে জব না করলে চলবে কি করে? তাই করতেই হবে।

তারপর অনেক আশা নিয়ে চাকুরীর জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকি কিন্তু বর্তমান পেক্ষাপটে চাকুরী বাজার এতটা খারাপ তা কাউকে বোঝানো সম্ভাব নয়। যারা আমার মত অবস্থায় এসেছে তারাই একমাত্র বুঝতে পারবে। ৮-১০ লক্ষ টাকা আর মামা-খালু না থাকলে সরকারী চাকুরী পাওয়া মুশকিল। অনেকে তো আছে যারা টাকা দিয়ে সরকারী চাকুরী নিবে বলে রেডি হয়ে বসে আছে কিন্তু কাকে টাকা দিবে তার কোন ভরসা পাচ্ছে না।

বর্তমানে আমি একটি বেসরকারী সাধরণ প্রতিষ্ঠানে খুবই অল্প টাকা বেতনে একটি জব করছি। শুধু মাত্র বেচেঁ থাকার জন্য আর এই ব্লক সাইটটি করেছি। সাইটে সার্ভিসিং রিলেটেড বির্ভিন্ন টিপস্ প্রজেক্ট আকারে লিখা-লিখি করার জন্য। যারা আমার সাইটটে নিয়মিত আসবেন তারা অবশ্যই তাদের যে কোন ছোটখাটো সার্ভিসিং এর ব্যাপারে শিখতে পারবেন। কোন সমস্যা হলে মেকারের কাছে দেড়াতে হবে না ইনস্আল্লাহ।

শিক্ষিত বেকারদের আরো কিছু সমস্যা রয়েছে

সে যেকোন কাজ সহজে করতে পারে না একজন সাধারণ ব্যক্তি যে কাজ গুলো অনায়াসে নির্দিধায় করতে পারে কিন্তু শিক্ষিত বেকাররা লজ্জায় করতে পারে না তারা সব সময় চাই সম্মান জনক পেশায় কাজ করতে, অসলেই তো এটা শিক্ষিতদের প্রাপ্য। কারণ পড়ে ডিগ্রী আর্জন করার পর কি কেউ লেবার, অটো ড্রাইভার, জমি চাষ ইত্যাদি কাজ করতে পরে? বেশি পড়াশোনা জানলে কেউ যে কোন কাজ সহজে করতে পারে না লজ্জা পায়। সবাই টিটকারী করবে বলে, এজন্য কাজ করতে পারলেও করে না।